অবসর গ্রহণ করেছেন। কিন্তু এখনও তিনি বসে নেই। সমাজের বর্তমান উৎশৃঙ্খল পরিস্থিতি তাকে ভাবিয়ে তুলেছে। চারপাশের নৈতিক অবক্ষয় তাকে ব্যথিত করে। তরুণ প্রজন্মের দিশাহীনতা তাকে উদ্বিগ্ন করে। তাই তিনি নীরব থাকেননি। একের পর এক লেখা লিখে চলেছেন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়। তার লেখায় উঠে আসে শিক্ষা, মূল্যবোধ ও মানবিকতার কথা। সহজ ভাষায় তিনি কঠিন বিষয় তুলে ধরেন। সমাজের সমস্যা চিহ্নিত করেন। আবার সমাধানের পথও দেখান। পাঠকদের মধ্যে তার লেখা নিয়ে আলোচনা হয়। অনেকেই তার ভাবনাকে সমর্থন করেন। তিনি মনে করেন, কলমই সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার।
advertisement
আরও পড়ুন-ফাল্গুন অমাবস্যাতেই লাগবে ‘জ্যাকপট’…! ২ রাশির বিপুল অর্থলাভ, খুলবে সৌভাগ্যের দরজা, আপনার ভাগ্যে কী
শুধু তাই নয় এলাকার সংস্কৃতি রক্ষাতেও তার কলম থেমে নেই। গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতি নিয়ে তিনি নিয়মিত লেখেন। স্থানীয় ইতিহাস সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। বিভিন্ন সভা-সমিতিতে তাকে তাকে দেখা যায়। সেখানে তিনি বক্তব্য রাখেন। তরুণদের নিজের শিকড় চিনতে বলেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সংস্কৃতি বাঁচলে সমাজ বাঁচবে। তাই অবসর জীবনেও তার ব্যস্ততা কমেনি। বাড়ির একটি ঘরই এখন তার কর্মক্ষেত্র। বই আর কাগজে ভরা সেই ঘরে বসেই তিনি লিখে চলেছেন। সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেন। মানুষের মধ্যে সচেতনতা ছড়াতে চান।
আরও পড়ুন-ভয়ঙ্কর দুঃসময় আসছে…! মঙ্গলের দুরন্ত চালে কাঁপবে ত্রিলোক, ৩ রাশির জীবন ‘নরক’, পদে পদে চরম বিপদ
পেয়েছেন শিক্ষারত্ন পুরস্কার। ২০২২ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে এই সম্মান গ্রহণ করেন তিনি। দীর্ঘ শিক্ষাজীবন ও সমাজসেবার স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার তাকে দেওয়া হয়। কিন্তু সম্মান তাকে থামায়নি। বরং দায়িত্ব আরও বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষক কখনও অবসর নেন না। সমাজই তার বড় বিদ্যালয়। কমল কুমার পন্ডার জীবন সেই সত্যেরই উদাহরণ। অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তিনি। তবু সমাজ গড়ার লড়াইয়ে আজও সক্রিয়। তাঁর কলম এখনও চলছে।




