মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলা ব্লকে ১০০ জন মহিলা তারা এই ফল চাষ করছেন। মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন সম্পূর্ণ ভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। রোজেলা ফল সংগ্রহ করে তা নিয়ে যাওয়া হয় বারাসতে, বারাসতে মেশিনে চা তৈরি করে পুনরায় মুর্শিদাবাদে নিয়ে আসা হয় এবং সেখানেই বিক্রি করা হচ্ছে চা। ৩০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০ টাকা পর্যন্ত এই চা বিক্রি করা হয়।
advertisement
আরও পড়ুন: দেখা নেই ফুলের! পলাশ ছাড়াই এবারে পূজিতা হবেন পলাশপ্রিয়া দেবী সরস্বতী
স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যরা জানিয়েছেন, “এই চা বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। দৈনন্দিন ব্যস্ততা, মানসিক চাপ, অফিস-স্কুলের কাজের চাপে অনেক সময় শরীর-মন দুটোই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এই ক্লান্তি দূর করতে আমরা কফি বা এনার্জি ড্রিঙ্কসের দিকে ঝুঁকি, কিন্তু এগুলোতে থাকে অতিরিক্ত ক্যাফেইন ও চিনি যা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পুষ্টিবিদ দেবাশিস মণ্ডল জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক সমাধান হতে পারে রোজেলা চা। লালচে উজ্জ্বল রঙ, টক-মিষ্টি স্বাদ আর ভেষজ গুণে ভরপুর এই চা শুধু সতেজতাই দেয় না, বরং শরীর ও মনের জন্য নিয়ে আসে প্রশান্তি। অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। রোজেলা ফুলে থাকে অ্যান্থোসায়ানিন ও ভিটামিন সি। এটি শরীর থেকে টক্সিন দূর করে এবং কোষকে সুরক্ষা দেয়। ফলে শরীরে এনার্জি বাড়ে ও ক্লান্তি দ্রুত কেটে যায়। স্ট্রেস কমায় ও মনকে শান্ত করে। রোজেলা চা প্রাকৃতিকভাবে কর্টিসল হরমোন স্ট্রেস হরমোন কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত পান করলে উদ্বেগ কমে যায় এবং মানসিক প্রশান্তি আসে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। উচ্চ রক্তচাপ ক্লান্তি ও মাথা ভার হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। রোজেলা চা রক্তনালীকে শিথিল করে, ফলে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে। ভাল ঘুমে সহায়ক হয় এই চা। দিন শেষে এক কাপ রোজেলা চা মস্তিষ্ক ও স্নায়ুকে শান্ত করে। ফলে গভীর ঘুম ও মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়।





