অভিজ্ঞ চিকিৎসক বিজয় কৃষ্ণ সরকার জানান, “একজিমা চিকিৎসার প্রাকৃতিক উপায় হল জীবনযাত্রার পরিবর্তন। শীতকালে অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিসের লক্ষণগুলি সবচেয়ে খারাপ হতে থাকে। এই সময় তাই ত্বকের শুষ্কভাব বেড়ে ওঠে। নারকেল তেল এবং অ্যালোভেরা জেলের মতো প্রাকৃতিক উপকরণগুলি শুষ্ক ভাব দূর করে। এ ছাড়া ফাটা ত্বককে জল ধরে রাখতেও সাহায্য করে। এছাড়া, উপকরণগুলি ত্বকের প্রদাহ হ্রাস করে ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিও দমন করে। ত্বকে সংক্রমণ প্রতিরোধেও দারুণ সাহায্য করে। শরীরের যেসব স্থানে ভাঁজ পড়ে সেখানেই একজিমা হয় সবথেকে বেশি। যেমন হাঁটুর পেছনে, কুনইয়ের সামনে, বুকে, মুখে এবং ঘাড়ে।”
advertisement
আরও পড়ুন: মাছ না চিকেন? কোনটা বেশি উপকারী? দূর করুন সব রোগ, শরীর ফিট রাখতে জানুন সত্যিটা
আরও পড়ুন: জিমে ছুটতে হবে না! মানতে হবে না ডায়েট, শুধু এই ৩ পানীয়ই ঝরাবে মেদ, নেই খাটনি
তিনি আরও জানান, “তবে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা নিলে একজিমা পুরোপুরি সেরে যায়। আক্রান্ত রোগী স্বাভাবিক জীবনযাপন ও রোগ প্রতিকারে নিয়মিত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। একজিমা প্রতিরোধ করার খুবই সহজ, ক্ষারযুক্ত সাবান, ডিটারজেন্ট, গ্যাসোলিন থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকুন। সিনথেটিক ও উলের কাপড় এড়িয়ে চলাই বেশি ভাল। বেশি গরম জল ব্যাবহার করা উচিত নয়। হালকা গরম জল দিয়ে শীতকালে স্নান করুন। স্নান করার পরপরই শরীর ভেজা থাকা অবস্থায় ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। সব সময় নরম সুতির জামাকাপড় পরা। পোশাক নিয়মিত পরিষ্কার করা।” ডাক্তারের উল্লিখিত এই বিষয়গুলি মেনে চললেই একজিমার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
সার্থক পন্ডিত





