এছাড়া বছরের বিভিন্ন সময়ে দই, লস্যি বিভিন্ন শরবত এই সমস্ত কিছু পাওয়া যায়। বংশ পরম্পরায় বিক্রিতারা দোল ও হোলিতে এই ঠাণ্ডাই বিক্রি করেন। এ বিষয়ে দোকানের বিক্রেতা জিতেন্দ্র চৌরাসিয়া বলেন, দোল ও হোলিতে তাদের দোকানের এই স্পেশাল ঠাণ্ডাই খেতে বহু দূর দূর থেকে মানুষ ভিড় করে। এটা তাদের দোকানে হোলি স্পেশাল আইটেম।
advertisement
এই সময় প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ গ্লাস ঠাণ্ডাই বিক্রি হয়ে যায় দোল ও হোলিতে। পুরুলিয়া শহরে অন্যান্য উৎসবের মত বসন্ত উৎসবের প্রভাব অনেকটাই বেশি। মূলত এখানে বাঙালিদের পাশাপাশি অবাঙালিরাও অনেকেই বসবাস করেন। এই বিষয়ে দোকানে আসা এক ক্রেতা সন্দীপ গড়াই বলেন, হোলি অসম্পূর্ণ এই ঠাণ্ডাই ছাড়া। দুর্দান্ত টেস্ট এই পানীয়র। প্রতি বছর দোল ও হোলিতে তিনি এই স্পেশাল ঠাণ্ডাই খেয়ে থাকেন।
চারিদিকে উৎসবের আমেজ। রংয়ের সাজে সেজে উঠেছে সুন্দরী পুরুলিয়া। আর এই রং-এর উৎসবে বাড়তি পাওনা স্পেশাল ঠাণ্ডাই। দোল ও হোলিতে এর স্বাদে মজেছে পুরুলিয়াবাসী। তাইতো বেশিরভাগ মানুষকেই দেখা যাচ্ছে এই দোকানের ঠাণ্ডাই খেয়ে রং খেলায় মেতেছে।
শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি





