চিন্তা নেই। পিরিয়ডের সময় আগে কাপড় ব্যবহার করতেন মেয়েরা। সেটা মোটেও নিরাপদ নয়। অস্বাস্থ্যকরও। বর্তমানে প্যাড, ট্যাম্পন ব্যবহার করা হয়। কিন্তু তারপরেও পিরিয়ডের সময় বাইরে বেরোনোর কথা শুনলে একটা অস্বাচ্ছন্দ্য অনুভূতি ঘিরে ধরে অনেককেই। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই বাজারে এসেছে মেনস্ট্রুয়াল কাপ। এটা পুরোপুরি স্বাস্থ্যকর এবং নিরাপদ। শুধু তাই নয়, এটা ব্যবহারের বেশ কিছু উপকারিতাও রয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন - Fashion Tips: পুজোয় আপনিই হোন ‘রাণী’, শার্ট আর স্কার্টের সঙ্গে হার, আংটি পড়ুন এইভাবে
মেনস্ট্রুয়াল কাপ কী: মেনস্ট্রুয়াল কাপ দেখতে অনেকটা ফানেলের মতো। রাবার এবং সিলিকন দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তৈরি। শুধু তাই নয়, এটা একাধিকবার ব্যবহার করা যায়।
মেনস্ট্রুয়াল কাপ ব্যবহারের উপকারিতা: পিরিয়ডের সময় ভারী প্রবাহ হয়। প্যাড কিংবা ট্যাম্পনের চেয়ে মেনস্ট্রুয়াল কাপ বেশি রক্ত ধরে রাখতে পারে। তাই পিরিয়ডের জন্য এটাই সর্বোত্তম স্বাস্থ্যবিধি পণ্য।
আরও পড়ুন - Viral Video: রোহিতের এ কী হাল! আবেগের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তা বলে গলা টিপে ধরা! রইল ভাইরাল ভিডিও
যে কোনও ধরনের সংক্রমণ এড়াতে পিরিয়ডের সময় ৫ ঘণ্টা অন্তর প্যাড বদলানো উচিত। দিনে কমপক্ষে ৩ বার প্যাড পরিবর্তনের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এই পরিস্থিতিতে মেনস্ট্রুয়াল কাপ সবচেয়ে ভাল। কারণ এটা একাধিকবার ব্যবহার করা যায়।
বাজারে বিক্রি হওয়া প্যাড এবং ট্যাম্পন থেকে প্রায়ই সংক্রমণের ভয় থাকে। এর কারণ হল এই পণ্যগুলো রক্ত শুষে নেয়। তাছাড়া শক সিন্ড্রোমেরও ভয় থাকে। বিশেষ করে ট্যাম্পনের এটা গুরুতর সমস্যা। মেনস্ট্রুয়াল কাপে রক্ত কাপে ধরা থাকে। তাই সংক্রমণের ভয় নেই। বালাই নেই শক সিন্ড্রোমেরও।
পিরিয়ডের সময় সবচেয়ে বড় সমস্যা এবং ভয় হল ফুটো। প্যাডে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি। ফুটো থাকলে কাপড়ে দাগ লাগার সম্ভাবনা থাকে। প্রত্যেক মহিলাকেই এই সমস্যার মোকাবিলা করতে হয়। এ দিক থেকে মেনস্ট্রুয়াল কাপ আশীর্বাদের চেয়ে কম কিছু নয়। এটা ব্যবহার করলে দাগ হওয়ার ভয় একদমই থাকবে না।
মেনস্ট্রুয়াল কাপ ব্যবহারের পদ্ধতি: এটা ব্যবহারের আগে পরে হাত ধুয়ে নিতে হবে। তাহলেই সংক্রমণের ঝুঁকি এড়ানো যাবে। যাই হোক, প্রথমে কাপটা ভাঁজ করে ধীরে ধীরে যোনির ভেতরে ঠেলে দিতে হবে। কাপটা থাকবে জরায়ুর ঠিক নিচে। যোনিতে ঢোকানো হয়ে গেলে হালকা ভাবে ঘোরাতে হবে। তাহলেই কাপটা যথাস্থানে ফিট হয়ে বসে যাবে।
