প্রাচীন পঁচেটগড় বাড়ির সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গঠন করা হয় পঁচেটগড় সেবায়েত বোর্ড। ঐতিহ্য রক্ষায় তারা উদ্যোগী হন। বোর্ডের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ হেরিটেজ দফতরে আবেদন জানানো হয়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ২০১৮ সালে রাজ্য সরকার এই রাজবাড়িকে ‘হেরিটেজ’ মর্যাদা দেয়। প্রতিদিনই পর্যটকদের আনাগোনা দেখা যায় এখানে। বিদেশী পর্যটকদেরও পছন্দের তালিকায় এই রাজবাড়ি।
advertisement
রাজবাড়ির সদস্য ড. শ্রাবনী দাস মহাপাত্রের উদ্যোগে এই সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। রাজবাড়ি ও প্রাচীন মন্দিরগুলোকে নতুন করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। রাজবাড়ির ঐতিহ্য মেনে এখানে রঙের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে চুন। চুন দিয়ে সুন্দরভাবে সাজানো হচ্ছে পুরো রাজবাড়ি চত্বর। প্রাচীন মন্দিরগুলোকেও একইভাবে সংস্কার করা হচ্ছে। বসন্তের শুরু থেকেই পর্যটকেরা নতুন রূপে রাজবাড়িকে দেখতে পাবেন। ঐতিহ্য ও ইতিহাসের আবহ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে রাজবাড়ি চত্বরে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পঁচেটগড় রাজবাড়ির হোমস্টে ওনার চৌধুরী ফাল্গুনী দাস মহাপাত্র বলেন, “পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভেবে জমিদার বাড়ির অন্দরে রাত্রিযাপনের ব্যবস্থাও উন্নত করা হয়েছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন বিভাগ সরকারিভাবে হোম স্টের অনুমোদন দিয়েছে। ফলে পর্যটকেরাও নিশ্চিন্তে এখানে থাকতে পারবেন।”
কলকাতা থেকে ১১৬বি জাতীয় সড়ক ধরে দিঘার পথে বাজকুল ও এগরা রোডে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার এলে পঁচেট মোড় বাসস্ট্যান্ড। সেখান থেকে পাকা গ্রামীণ সড়ক ধরে গাড়িতে মাত্র ১০ মিনিটেই পৌঁছে যাওয়া যায় রাজবাড়িতে। পঁচেটগড়ের রাজবাড়ির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে থাকার বুকিংয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে। ৪৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই রাজবাড়ি নতুন সাজে সেজে ওঠায় খুশি পর্যটকরাও।





