রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক(সিইও) মনোজ আগরওয়াল শুক্রবারই চিঠি দিয়ে জেলা নির্বাচন আধিকারিক(ডিইও)দের জানিয়ে দেন, এবারে প্রথম চালু হচ্ছে জাল ভোটার ধরার নয়া কৌশল। কমিশন প্রত্যেক ভোটারের জন্য কেবলমাত্র এক সেট ভোটার তথ্য স্লিপ(ভিআইএশ) ছাপাবে। যা বিএলও-দের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। সমস্ত নথিভুক্ত ভোটারদের কাছে এই ভোটার স্লিপ বিএলও পৌঁছে দেবে।
advertisement
সর্বাধিক ভোটের ৫ দিন আগে এই স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। ভোটার বাড়ি না থাকলে তাঁর পরিবারের কোনও প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের হাতে তুলে দিয়ে রেজিস্টারে স্বাক্ষর করাবেন। টিপ সইও নেবেন। বিএলও এই স্লিপ বিলির সময় বিএলএ বা কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিকে সঙ্গে নিলে তাহলে অবশ্যই রেজিস্টারে তাঁর যেন স্বাক্ষর থাকে। কোনও ভাবেই ‘গুচ্ছ ভোটার স্লিপ’ বিএলওরা কারও হাতে তুলে দেবেন না। এই স্লিপ বিলি নিয়ে কোনও বিএলওর বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে কমিশন। এনিউমারেশন ফর্ম বিলি নিয়ে কমিশন বহু বিএলওর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পেলেও কঠোর ব্যবস্থা নেয়নি। এবার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে বিএলওরা যাতে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেন সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন।
স্লিপ বিলি করার সময় ভোটার বা তাঁর পরিবারের কাউকে না পাওয়া গেলে সেটা বিএলও সরাসরি রির্টানিং অফিসার (আরও) বা অ্যাসিস্টেন্ট রির্টানিং অফিসার(এআরও)র কাছে জমা দেবেন। আরও বা এআরওরা বিলি না হওয়া স্লিপ নিরাপদ হেফাজতে রাখতে হবে। এই ফেরত আসা ভোটার স্লিপকে ভিত্তি করে আরও বা এআরও বুথ ভিত্তিক মৃত,নিখোঁজ ও স্থানান্তরিত এক কথায় ‘এএসডি’ তালিকা তৈরি করবে। ভোটার তালিকায় চিহ্নিত করে রাখবে। প্রিসাইডিং অফিসারদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এরপরও তালিকায় থাকা অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত এবং মৃত ভোটের দিতে এলে পরিচয়পত্র বিশেষভাবে যাচাই করা হবে। বুথে উপস্থিত প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। এজন্য ভোটারকে ১৭এ ফর্ম ও রেজিস্টারে নথিভুক্ত করে ব্যক্তির স্বাক্ষরের পাশাপাশি টিপছাপ নিয়ে ভোট দিতে দেওয়া হবে।
