সেই সঙ্গে কমিশের তরফে জানানো হয়েছে, ১০০ শতাংশ পোলিং বুথে এর বাইরে ও ভিতরে নজর দারি করা হবে। ত্রিস্তরিয় মনিটরিং করা হবে। প্রথমটি RO স্তরে, দ্বিতীয় স্তরে DEO স্তরে, তৃতীয়টি CEO অফিসে করা হবে, ৭২ টা স্ক্রিন থাকবে। একটা করে স্ক্রিন এর সামনে দুজন করে মাইক্রো অবজার্ভার থাকবেন। একজন দেখবেন ও একজন নোট রাখবেন।
advertisement
এই প্রসঙ্গে সুব্রত গুপ্ত জানান, evm/ vvpat যে গাড়িগুলি করে নিয়ে যাবেন ভোট কর্মীরা সেখানেও নজর রাখা হবে। যাতে তারা ঠিক রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন নাকি, তার জন্য গাড়িতে gps থাকবে। কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভি রেকর্ডিং হবে। ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলোতে ভোটের ১-২ দিন আগে থেকেই ক্যামেরা লাগানো শুরু হয়ে যাবে, ২৩৫২ মাইক্রো অবজার্ভার থাকবে।
পাশাপাশি, কমিশন জানিয়েছে, সেনসিটিভ বুথ সেখানে ভিতরে দুটো ক্যামেরা থাকবে, যদি কোনও জায়গায় বুথ দখল হয় তাহলে ভোটটা বাতিল বলে দেওয়া হবে, রি পোল হবে। ইলেকশন অফিসিয়াল নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করছে না, এই রকম অভিযোগ আসছে। যদি এই রকম অভিযোগ আসে তাহলে ৬ মাসের জেল, জরিমানা বা দুটোই হতে পারে। জোর করে বুথ দখল করে নেওয়া, ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া, ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের থেকে দূরে পাড়ায় ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে আসতে দেওয়া হচ্ছে না সেটাও বুথ দখলের মতো দেখা হবে। সরকারি কর্মচারী কেউ বুথ দখলে সাহায্য করে তিনিও সমান দোষী। তার ৩ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত জেল পর্যন্ত হতে পারে।
আরও পড়ুন: আর কিছুক্ষণের মধ্যেই কলকাতার পাশের জেলা-সহ চার জেলায় বৃষ্টি আসছে! সঙ্গে ৫০ কিমি বেগে ঝড়
পাশাপাশি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেন, “প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্টের উপরেই শুধু নির্ভর করবে না পুনর্নির্বাচনের জন্য। অবজার্ভার, রিটার্নিং অফিসারদের উপর ও নির্ভর করবে”। পাশাপাশি নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সিইও জানান, ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলিতে এত পুলিশ দেওয়া যাবে না পুলিশ জানিয়েছে। সেই ক্ষেত্রে একজন করে অতিরিক্ত ভোট কর্মীদের কথা বলা হয়েছে, তারা বাইরেটা দেখে নেবেন।
