শুভেন্দু বলেন, ‘নেতা নয় আদর্শ সঙ্গীকে সেবককে কাজ করার সুযোগ মানুষ করে দিন এই এলাকায়। আশা করব শঙ্কর শিকদারকে জিতিয়ে চোরদের হাত থেকে এই এলাকাকে রক্ষা করবেন। ব্যক্তি কেন্দ্রিক পার্টি নয়, বিজেপি কোম্পানির মতো পার্টি চালায় না। রাষ্ট্র প্রথম দল তারপর ব্যক্তি আরও পরে। ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো আমিত্বে বিশ্বাস করি না। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, নলহাটি সব জায়গায় মন্দির আমি বানিয়েছি বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।’
advertisement
শুভেন্দুর দাবি, ‘এই এলাকায় কাউন্সিলর শুধু নয় পুলিশের আইসি ওসি সকলে মিলে পুকুর বুঝিয়েছেন। কাউন্সিলর ভাগাভাগি করে খাওয়ার কথা বলেন। একটাও পুকুরের অস্তিত্ব নেই এই এলাকায়। বাংলা বাঙালির শেষ নির্বাচন বাঙালির হোম ল্যান্ড বাঁচানোর লড়াই। ভাল ভাল ফিনাইল ব্লিচিং রেডি রাখুন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ পরিষ্কার করতেই হবে। বাঙালি হিন্দুরা গ্রেটার বাংলাদেশ হতে দেব না। নারী সুরক্ষা চাই, চাকরি চাই, আয়ুষ্মান ভারত কার্ড চাই, টাটা চাই, সিন্ডিকেট মুক্ত বাংলা চাই বিজেপি তাই।’
আরও পড়ুন: মনোনয়নের দিনই জয়ের উল্লাস! পাঁচ-ছয় হাজার মানুষের সমাগম, সুজয়ই জিতছেন?
শুভেন্দুর দাবি, ‘কিছুদিন আগে ইন্দ্রনীল খানের অফিস ভেঙেছিল। যেভাবে বেহালার বিজেপি কর্মীরা প্রতিবাদ করেছে থানা ঘিরে রেখেছে। পুলিশ বাধ্য হয়েছে রত্ন চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে। ঘরে ঘরে প্রচার আর বুথে এজেন্ট যদি দিতে পারেন জিত নিশ্চিত নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত। কাশ্মীরের সেনা তৈরি, চলে আসছে তারা এরাজ্যে ভয় মুক্ত ভোট হবে।’
মমতাকে এদিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে শুভেন্দু বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে ভবানীপুরে নমিনেশন দিয়েছে এক ঝুড়ি লোক নিয়ে। বলছে আবার আসব। আর আসা হবে না, নন্দীগ্রামে হারিয়েছি, ভবানীপুরে হারাব। প্রাক্তন করব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।’
সুস্মিতা মণ্ডল
