প্রাথমিক ভাবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের তরফে দেওয়া হয়ে স্পষ্ট বার্তা। সূত্রের খবর, বিবৃতি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, বাংলার শাসকদল তৃণমূলের সঙ্গে এই বৈঠকে সরাসরি বলা হয়েছে, “এবার পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন নিশ্চিতভাবেই হবে:’ভয়মুক্ত, হিংসামুক্ত, ভীতিপ্রদর্শনমুক্ত, দলভুক্তিমুক্ত এবং কোনও রকম চাপাচাপি, বুথ জ্যামিং ও সোর্স জ্যামিং ছাড়াই।”
advertisement
এই নিয়ে তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, “এটা নিয়ে বলেছেন! আপনি প্রমাণ দিন, এসব বলেছেন কিনা। এসব কিচ্ছু বলেননি বৈঠকে। ভ্যানিশ কুমার, আপনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের সঙ্গে লড়তে এসেছেন!”
অন্যদিকে, কমিশন সূত্রে অভিযোগ, ডেরেক ও’ব্রায়েনই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে উদ্দেশ্য করে চিৎকার করেছেন। শুধু তাই নয় তাঁকে কথা বন্ধ করতে, অর্থাৎ জ্ঞানেশ কুমারকে তৃণমূল সাংসদ চুপ করতেও বলেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে।
তবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ ও তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন জানান, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বৈঠকের ৭ মিনিটের মধ্যে আমাদের বেরিয়ে যেতে বলেছেন। আমরা বেরিয়ে এসেছি তাই। সাংসদদের বলেছেন বেরিয়ে যাও! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৯টি চিঠি নিয়ে গিয়েছিলাম। বলেছি, একজন মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি, অথচ আপনারা একটারও জবাব দেননি। আমরা বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে সিইও-সহ নির্বাচনী আধিকারিকরা রয়েছেন এমন ছবি দেখিয়েছি। ৬টি প্রমাণ দিয়েছি। তারপরই যখন আমরা প্রশ্ন তুলি, আপনারা এভাবে কীভাবে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশ্বাস দিচ্ছেন? চ্যালেঞ্জ করছি। ব্যাখ্যা দিয়ে ভিডিও প্রকাশ করুন, ভিডিও না হলেও অডিও প্রকাশ করুন।
