বিবৃতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানতে চান, তাঁর আয়ত্তাধীন কেন্দ্রে কত গুলো ভোটগ্রহণ কেন্দ্র আছে? দাবি, ওই অবজার্ভার সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি৷ এরপরেই জ্ঞানেশ কুমার, রেগে গিয়ে বলেন, “Go back to your home, leave the room “৷
কমিশনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের সময় কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের সাধারণ অবজার্ভার অনুরাগ যাদবকে প্রশ্ন করা হয়, তাঁর কেন্দ্রে মোট কতগুলি পোলিং স্টেশন রয়েছে৷ সেই প্রশ্নের উত্তর তিনি দিতে পারেননি বলে অভিযোগ৷ তাঁকে ওই মুহূর্তেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় কমিশনের তরফে৷
advertisement
সূত্রের খবর, বৈঠকে কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কড়া তিরস্কার ‘হজম’ করেননি ওই অবজার্ভার৷ পর্যবেক্ষকদের এই বৈঠকে কোচবিহারের এক সিনিয়র অফিসারকে এই ধরনের কথা বলায়, তিনিও পাল্টা ক্ষোভপ্রকাশ করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কে উদ্দেশ্য করে। বলেন, ‘‘আপনি আমার সঙ্গে এই ধরনের ব্যবহার করতে পারেন না। ২৫ বছর দিয়েছি আমার এই সার্ভিসে।’’ কোচবিহারের ওই অবজার্ভার বৈঠকে সরব হওয়া মাত্রই চুপ করে যান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেই কমিশন সূত্রে খবর। তারপরেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন।
ওই বৈঠকে জ্ঞানেশ কুমার জানান, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে হিংসা কোনওভাবেই মেনে নেব না। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে অতীতে হিংসা ছড়ানোর তাদের নিশ্চিত গ্রেফতার (surety arrest) করতে হবে। পুলিশ অবজার্ভারদের এটা সক্রিয়ভাবে কার্যকর করতে হবে। অতীতে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ যে সমস্ত গুন্ডাদের বিরুদ্ধে রয়েছে তাদের বাউন্ড ডাউন করতেই হবে।’’ অবজার্ভারদের বৈঠকে নির্দেশ দিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেই কমিশন সূত্রে খবর।
তিনি জানান, পুলিশ পর্যবেক্ষকরা প্রয়োজন মনে করলে কেন্দ্রীয় বাহিনী ডেকে নেবেন। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কোনও সমস্যা তৈরি হলে ৩০ মিনিটের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী আপনারা ডাকতে পারবেন। মালদার মোথাবাড়ির ঘটনার পর পুলিশ পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশ্য করে কড়া নির্দেশ দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বলে কমিশন সূত্রে খবর।
