বিরাটি স্টেশনে প্রায় ৫টি লরি ভর্তি আবর্জনা অপসারণ করা হয়েছে, যার মোট পরিমাণ প্রায় ২ টন। অন্যদিকে, শ্যামনগর স্টেশনে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোগ্রাম বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সত্ত্বেও, আরও প্রায় ১০০ কিলোগ্রাম চিহ্নিত বর্জ্য অপসারণের কাজ চলছে, যাতে স্টেশন চত্বর সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার ও সুসংগঠিত করা যায়।
advertisement
শুধুমাত্র পরিষ্কার অভিযানে সীমাবদ্ধ না থেকে, শিয়ালদহ ডিভিশন পোস্টার ও ব্যানারের মাধ্যমে ব্যাপক জনসচেতনতা অভিযানও চালাচ্ছে। তবে, ডিভিশন মনে করে যে স্বচ্ছতা বজায় রাখা একটি যৌথ দায়িত্ব। ডিভিশন নিরবচ্ছিন্নভাবে বিশ্বমানের পরিবেশ প্রদানে কাজ করছে, কিন্তু এই উদ্যোগের সাফল্য অনেকাংশে সাধারণ মানুষের সহযোগিতার উপর নির্ভরশীল।
শিয়ালদহ ডিভিশন যাত্রীদের অনুরোধ করেছে, তারা যেন নির্দিষ্ট ডাস্টবিন ব্যবহার করেন এবং রেললাইন বা প্ল্যাটফর্মে আবর্জনা না ফেলেন। এছাড়াও জানানো হয়েছে যে, রেলওয়ে প্রাঙ্গণে ময়লা ফেলা বা থুতু ফেলা রেল আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ, যার জন্য ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে স্টেশনগুলিতে কড়া নজরদারি চালানো হবে।
বৃহৎ পরিসরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক সচেতনতার সমন্বয়ে, শিয়ালদহ ডিভিশন সকল যাত্রীর জন্য একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও আনন্দদায়ক ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। শিয়ালদহ ডিভিশন সকল নাগরিককে এই ‘লাইফ লাইন’ পরিষ্কার ও সবুজ রাখার কাজে অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানায়।
