উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের এই সিদ্ধান্ত বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। সাসপেনশন প্রত্যাহারের ফলে শীঘ্রই শান্তনু সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরতে চলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। আরজি কর কাণ্ডের সময়ে, একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করে দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেন। হাসপাতালের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তিনি সরাসরি দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন।
advertisement
সেইসময়, আরজি করের ঘটনার কড়া নিন্দা করে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য ভাল ভাবে নেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে দল। মুখপাত্র পদ থেকে সরিয়ে দল থেকে তাঁকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করা হয়। এতদিন তিনি দল থেকে বহিস্কৃতই ছিলেন। তবে অন্য দলে যোগদান করার সিদ্ধান্ত নেননি শান্তনু।
আরও পড়ুন: ‘কাতারে’ ১০,০০০ ভারতীয় টাকা ‘কত’ হয়ে যাবে জানেন…? ‘রেট’ শুনলেই চমকাবেন, শিওর!
রবিরার দলের তরফে প্রাক্তন সাংসদ ডাঃ শান্তনু সেনের সাসপেনশন প্রত্যাহার করে জয়প্রকাশ মজুমদার জানান, “ডাঃ শান্তনু সেনের সাসপেনশন অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।” শান্তনু সেন এখন থেকে দলের হয়ে সবরকম কাজ করতে পারবেন, বলে জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার।
