পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে আচমকাই শ্বাসকষ্ট অনুভব করতে শুরু করেন বিশ্বজিৎ সামন্ত। রাত প্রায় দেড়টা নাগাদ অবস্থার অবনতি হলে পাড়া-প্রতিবেশীরা দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে তাঁকে আর জি কর হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। প্রতিবেশীরাই তড়িঘড়ি অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করে হাসপাতালে ভর্তি করান বলে জানা গিয়েছে।
ফের RG Kar! ট্রমা কেয়ারে মিলল না শৌচাগার, লিফট বিভ্রাটে গেল আরও এক প্রাণ!
advertisement
বাড়ির ছাদের জলের ট্যাঙ্ক নোংরা হয়ে গিয়েছে? সহজ কয়েকটি ধাপে,১০ মিনিটে নিজেই সাফ করুন!
তবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ। শৌচালয়ে যেতে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয় বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই মৃত্যু কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
সোমবার সকালে বিশ্বজিৎ সামন্তর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পরিবারের কোনও সদস্য উপস্থিত নেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, মৃতের পরিবারে স্ত্রী ও এক ছেলে রয়েছেন এবং তাঁরা তিনজনেই এই বাড়িতে একসঙ্গে থাকতেন। হঠাৎ এই মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে বলেই অনুমান প্রতিবেশীদের।
স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এই মৃত্যু নিছক স্বাভাবিক নয়, এর পিছনে হাসপাতালের গাফিলতি রয়েছে। তাঁদের দাবি, আর জি কর হাসপাতালে এর আগেও একাধিকবার এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। বারবার অভিযোগ ওঠা সত্ত্বেও কেন পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। হাসপাতালের পরিষেবা, রোগী নিরাপত্তা এবং নজরদারি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে আর জি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
