স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাধ্য হয়ে বিশ্বজিৎ সামন্তকে প্রায় একশো মিটার দূরে থাকা একটি সুলভ শৌচালয়ে যেতে হয়। সেখানে পৌঁছাতে তাঁকে প্রায় তিরিশটি সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে হয়েছিল। শারীরিকভাবে অসুস্থ অবস্থায় এই দূরত্ব অতিক্রম এবং সিঁড়ি ভাঙা যে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, তা বলাই বাহুল্য। অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই ঘটে যায় মর্মান্তিক ঘটনা।
advertisement
বাড়ির ছাদের জলের ট্যাঙ্ক নোংরা হয়ে গিয়েছে? সহজ কয়েকটি ধাপে,১০ মিনিটে নিজেই সাফ করুন!
LPG উৎপাদনে শীর্ষে কোন দেশ ? বিশ্বের সেরা ‘১০’-এ ভারতের অবস্থান কোথায় জানেন?
শুধু একটি ঘটনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় এই অভিযোগ। ট্রমা কেয়ার সেন্টারে চিকিৎসাধীন অন্যান্য রোগী ও তাঁদের পরিজনদের বক্তব্য, গ্রাউন্ড ফ্লোরে কোনও টয়লেট না থাকায় প্রায় সকলকেই বাইরে নির্ভর করতে হয়। কিন্তু সেই শৌচালয়ও সবসময় খোলা থাকে না—অনেক সময় তালাবন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়, ফলে সমস্যার আরও অবনতি ঘটে।
হাসপাতালের স্টাফদের মধ্যেও একই ক্ষোভ লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাঁদের দাবি, গোটা বিভাগের জন্য মাত্র একটি বাথরুম রয়েছে, যা শুধুমাত্র স্টাফদের ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট। কিন্তু রোগীর চাপ এবং স্টাফের সংখ্যার তুলনায় সেই একটি বাথরুম সম্পূর্ণ অপ্রতুল। সকাল থেকেই সেখানে দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়, ফলে জরুরি মুহূর্তে সেটিও ব্যবহারযোগ্য থাকে না।
একটি ট্রমা কেয়ার সেন্টার, যেখানে প্রতিনিয়ত গুরুতর অসুস্থ ও দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগীদের চিকিৎসা হয়, সেখানে ন্যূনতম পরিকাঠামোর এই ঘাটতি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উঠছে প্রশ্ন। বিশেষজ্ঞদের মতে, জরুরি পরিষেবা কেন্দ্রগুলিতে মৌলিক পরিকাঠামো যেমন পর্যাপ্ত ও সহজলভ্য বাথরুম থাকা অত্যন্ত জরুরি। সেই জায়গাতেই এত বড় ফাঁকফোকর কী ভাবে রয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।
এই ঘটনার পর হাসপাতালের পরিষেবা, রোগী নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি, ফলে প্রশ্ন আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
