এদিকে, যাদবপুরে দুই পক্ষের স্লোগান। একদিকে বামপন্থী ছাত্র ইউনিয়ন। অন্যদিকে রামনবমী পুজা করা এনএসএফ। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, কোনও রকম অনুমতি নেওয়া হয়নি। তবে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি সরজমিনে ঘুরে দেখছেন। অবশ্য জয় শ্রীরাম স্লোগানের পাশাপাশি সেখানে ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগানও ওঠে।
আরও পড়ুন: পানিহাটিতে বিজেপি প্রার্থী অভয়ার মা! শুনেই এ কী বললেন দিলীপ ঘোষ! ‘যোগ্য জবাব’ কে পাবেন?
advertisement
কোনও বহিরাগত পুজো দেখতে আসতে পারেন কিন্তু বেশিক্ষণ থাকতে পারবেন না। পুলিশ বাইরে আছে। কিন্তু আমাদের অনুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবে না।
জানা গিয়েছে, গত বুধবারই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়ে পুজোর অনুমতি চেয়েছিলেন এবিভিপি-র নেতারা। দাবি, যাদবপুরে মৌখিক অনুমতি মিললেও, মেলেনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের মূল ফটকের বাইরে হচ্ছে রামের পুজো।
এদিকে, ঠনঠনিয়া কালী বাড়ি থেকে রামনবমীর শোভা যাত্রা বেরবে রাম মন্দির পর্যন্ত। যার মধ্যমণী বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ। উল্লেখযোগ্য হল, এই শোভাযাত্রায় সম্প্রিতী বার্তা পৌঁছে দিতেই জাতিধর্ম নির্বিশেষে সব ধর্মের মানুষেরা শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছে। হলুদ পাগড়ি দিয়ে কুণাল ঘোষকে সংবর্ধনা জানানো হয়।
