এদিন তিনি বলেন, ‘পাণ্ডবেশ্বরে পাণ্ডবদের সঙ্গে কৌরবদের যুদ্ধ। আমরা পাণ্ডব আর বিজেপি কৌরব। এই এলাকায় আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট, আসানসোল সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতাল, কাজী নজরুল ইসলাম বিমানবন্দর তৃণমূলের সময়ে হয়েছে। বিজেপি ভ্যানিশ ওয়াশিং মেশিন। তাই এসআইআর করে মানুষের নাম বাদ দিয়ে দিচ্ছে অধিকার বাদ দিয়ে দিচ্ছে।’
মমতার দাবি, ‘১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দেব বলেছিল। কিন্তু আগেই ৫৮ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে ৬০ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে। বিজেপির নাম ঢুকিয়েছে। এগুলো বিজেপির পার্টি অফিস থেকে ঠিক হয়েছে। লিস্ট টাঙানো হচ্ছে না। কোনও দলকে দেয়নি, প্রেসকে দেয়নি, লুকিয়ে রেখেছে। যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা যেন ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারে। তৃণমূল বিনা পয়সায় তাঁদের আইনজীবী দেবে। গণতন্ত্র সংকটে। বিজেপির রাজনীতি একটাই দল থাকবে। বিজেপির রাজনীতি সব রাষ্ট্রায়ত্ত সম্পত্তি বিক্রি করে দেবে। দেশটাকে ওরা বেচে দেবে।’
advertisement
আরও পড়ুন: বাংলায় আরও ১৯ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি, বাকি থাকল ১৯! শিরোনামে পানিহাটির প্রার্থীর নাম
গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়েও এদিন বিজেপিকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। ‘গ্যাস শেষ হয়ে গেছে ২৫দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করে মানুষ কি হাওয়া খাবে? গ্যাস দেবে গ্যাস বেলুনে নিজেদের প্রচার করার জন্য, রান্নার ঘরে দেবে না। পেট্রোলের দাম বাড়িয়েছে, আবার সতর্ক করেছে। বিজেপির পার্টি অফিস থেকে পুলিশ প্রশাসনকে বদলি করা ঠিক হচ্ছে। মা বোনেদের বলছি, নির্বাচনের দিন আর গণনার দিন কেউ জোর খাটালে আপনারা রুখে দাঁড়ান। যাঁরা বিজেপির হয়ে দালালি করছে তাঁদের ৪ তারিখে দেখব কোথায় যায়।’
মমতার আশ্বাস, ‘তৃণমূল সরকার থাকাকালীন কাউকে NRC আর ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাতে দেব না। আমি যদি যোদ্ধা হই আপনারা হলেন আমার সহযোদ্ধা। যতদিন বেঁচে থাকব মানুষের ভালবাসায় থাকব। সব বদলে দিয়ে, বিজেপি উকুন বাছছে। নির্বাচনের আগে যতই করো চক্রান্ত যতই করো হামলা আবার জিতবে বাংলা। যদি কাউকে টাকা দিয়ে কেনার চেষ্টা করেন আমাদের নজরে থাকবে।’
আরও পড়ুন: ‘প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব’, বোলপুরে প্রচারে বেরিয়ে কেন এমন মন্তব্য অনুব্রতর?
বীরভূমের দুবরাজপুর ও খয়রাশোলেও এদিন বিজেপিকে আক্রমণ করেন মমতা। বলেন, ‘লাইন চান? না বিজেপিকে বেলাইন করতে চান? লাইন দেবেন? নাকি বিজেপিকে বেলাইন দেবেন? নোটবন্দির লাইন, আধার কার্ডের লাইন, SIR এর লাইন। ব্যাংকে ১৫ লাখ টাকা, দুই কোটি চাকরি দেবে বলেছিল। এখন গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আবার লড়াই আমাদের। রোজ রোজ মিথ্যা কথা বলছে। সব ঝুট। মোদীজী আসার আগে ছিল ৪০০ টাকা। আর এখন ১১০০ টাকা। চুপিচুপি বাড়ল। রেলের টিকিট, পেট্রোলের দামের মতো। আর বড় গ্যাস ২১০০ বলেছে।’
আবীর ঘোষাল
