TRENDING:

কঠোর শাস্তি চান মমতা, দেবাঞ্জনদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার ধারা যুক্ত করল পুলিশ

Last Updated:

ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের (Fake Vaccination Case) ঘটনায় চূড়ান্ত ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)৷ সূত্রের খবর, এই ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি৷

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
#কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রীর কড়া মনোভাবের পরই ভুয়ো টিকা কাণ্ডে গ্রেফতার দেবাঞ্জন দেব সহ চার জনের বিরুদ্ধেই খুনের চেষ্টার ধারা যুক্ত করল পুলিশ৷ এ দিন আদালত পুলিশের এই আবেদনে মঞ্জুর করেছে৷ ভুয়ো টিকা কাণ্ডের মূল মাথা দেবাঞ্জন দেব ছাড়াও এ দিন তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই অন্যান্য একাধিক ধারার সঙ্গে ৩০৭ ধারায় খুনের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে৷
advertisement

ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের ঘটনায় চূড়ান্ত ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সূত্রের খবর, এই ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি৷ প্রতারণা কাণ্ডে পুরসভার কেউ যুক্ত থাকলে তাদেরকেও রেয়াত না করার নির্দেশ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

এর পরই পুলিশি তৎপরতা আরও বাড়ে৷ ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে ইতিমধ্যেই বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে৷ এ দিন আদালতে পুলিশের তরফে অভিযোগ করা হয়, দেবাঞ্জন সহ ধৃতরা যেভাবে মানুষকে ভুয়ো ভ্যাকসিন দিয়েছে, তাতে প্রাণহানির আশঙ্কাও থাকছে৷ ইতিমধ্যেই তিন টিকা গ্রহিতা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন সরকারি আইনজীবী সৌরিন ঘোষাল৷ সেই কারণেই ৩০৭ ধারা যুক্ত করার আবেদন জানানো হয়৷

advertisement

ধৃত দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্রতারণা, সরকারি নথি জাল করার মতো একাধিক ধারায় মামলা করেছে পুলিশ৷ দেবাঞ্জনের তিন সহযোগীর বিরুদ্ধেও ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০বি, ৪১৯, ৪২০, ৪৬৮, ৪৭১, ৪৭৪ সহ একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে৷

সরকারি আইনজীবী সৌরিন ঘোষাল বলেন, 'যে তিন জনকে পুলিশ এ দিন গ্রেফতার করেছে তাদের মধ্যে দু' জন পুরসভার নামে খোলা ভুয়ো অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতেন৷ বেশ কয়েক বার লক্ষাধিক টাকাও তোলেন তারা৷ আমরা প্রথম থেকেই আদালতকে জানিয়েছিলাম, একজনের পক্ষে এই কাজ করা সম্ভব নয়৷ পুলিশের তদন্তেও তাই প্রমাণিত হচ্ছে৷ '

advertisement

দেবাঞ্জনের তিন সহযোগী শান্তনু মান্না, সুশান্ত দাস এবং রবিন শিকদারকে এ দিন গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করে পুলিশ৷ পুরসভার নামে যে ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল, সেখানে শান্তনু এবং রবিনের নাম ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ৷ পুলিশের পক্ষ থেকে দেবাঞ্জনের তিন সহযোগীকে ১৪ দিন হেফাজতে চাওয়া হয়৷ আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত ধৃতদের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে সীমান্তে ‘নো এন্ট্রি’! জলপাইগুড়িতে কড়া নজরদারি, যাতায়াত বন্ধে প্রশাসনের বড় সিদ্ধান্ত
আরও দেখুন

ধৃতদের আইনজীবী সুব্রত সর্দারের অবশ্য পাল্টা দাবি, এই ঘটনায় বহু প্রভাবশালী যুক্ত৷ তাঁর অভিযোগ, 'তদন্তে নেমে পুলিশ দেখছে সত্যিটা সামনে আসলে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে কেউটে বেরিয়ে আসবে৷ তাই মামলার মোড় অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা চলছে৷'

বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/
কঠোর শাস্তি চান মমতা, দেবাঞ্জনদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার ধারা যুক্ত করল পুলিশ
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল