এ ছাড়া, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুমোদিত ছুটি ছাড়া অনুপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দফতরীয় প্রধান বা নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ ‘শো-কজ’ নোটিস জারি করবেন। সন্তোষজনক জবাব না মিললে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এই নির্দেশ কার্যকর করার সমস্ত প্রক্রিয়া ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করে তার রিপোর্ট অর্থ দফতরে পাঠাতে হবে। অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের সই করা এই নির্দেশে স্পষ্ট বার্তা, ধর্মঘটের ডাক সত্ত্বেও সরকারি পরিষেবা সচল রাখতেই বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার।
advertisement
কেন্দ্রের শ্রম সংস্কার ও বৃহত্তর অর্থনৈতিক নীতির (Economic Policies) বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ভারত বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে (Bharat Bandh)। জোর প্রস্তুতি চলছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির। দাবি, ৩০ কোটিরও বেশি শ্রমিক এবার রাস্তায় নামবেন। ফলে ব্যাঙ্ক থেকে পরিবহণ, সরকারি দফতর—একাধিক পরিষেবা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হতে পারে।
কেন্দ্র যে চারটি নতুন শ্রম আইন (Labour Codes) এনেছে, তা শ্রমিক সুরক্ষা ও কর্মসংস্থানের নিরাপত্তাকে দুর্বল করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। ট্রেড ইউনিয়নগুলির দাবি, নতুন আইন মালিকদের হাতে নিয়োগ-বরখাস্তের ক্ষেত্রে বাড়তি ক্ষমতা তুলে দিচ্ছে, আর আগের বহু সুরক্ষাই কার্যত তুলে নেওয়া হয়েছে। সমস্ত কিছুর প্রতিবাদেই লক্ষ্মীবারের এই ভারত বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।
