মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের বলরামপুর আঘের মিল এলাকার বেশ কিছু মহিলারা তারা বহরমপুরে ব্যারাক স্কোয়ার ময়দানে বসেছেন নিজেদের পসরা নিয়ে। তৈরী করছেন রাত দিন এক করে বিভিন্ন উপকরণ। কারীগরদের কথায়, তারা পনেরো হাজার টাকা ঋণ শুরু করেছিলেন এই ব্যবসা। এখন মাসে ৯-১০ হাজার টাকা রোজগার হয় অনায়াসেই।
আরও পড়ুন: বাবার মৃতদেহ বাড়িতে, চোখের জল মুছতে মুছতে মাধ্যমিকের পরীক্ষাকেন্দ্রে ছাত্র
advertisement
মুলত, কতিপয় হস্তশিল্প পণ্য রয়েছে যেগুলির কিছু বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এসব বৈশিষ্ট্যের উৎস হচ্ছে একটি অঞ্চল বা দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বা কারুশিল্পীদের বিশেষ উৎপাদন কৌশল। ঝুড়ি, ছাতা রাখার ঝুড়ি, ফল রাখার ঝুড়ি, গোলাকৃতির ও চারকোনা ঝুড়ি, সার্ভিং ট্রে ঝুড়ি, খেলনা রাখার ঝুড়ি, ফুলের পাত্র রাখার ঝুড়ি, বাসা ও অফিসের ওয়েস্ট বা বর্জ্য ফেলার ঝুড়ি, কাটলারি ঝুড়ি, স্যুটকেস ঝুড়ি, জুয়েলারি রাখার ঝুড়ি, ফিশ টেবিল ম্যাট, সিলিন্ডার ঝুড়ি ইত্যাদি।
আরও পড়ুন: আনলিমিটেড ফুচকা খেতে চান? মাত্র ১০০ টাকায় সবাই মিলে খেয়ে নিন পেট ভরে ফুচকা, আর কী চাই!
পৃথিবীতে চিনের পরই বাঁশ উৎপাদনের দ্বিতীয় বৃহত্তম কেন্দ্র হল ভারত। ভারতের অঙ্গরাজ্য আমাদের পশ্চিমবঙ্গেও বাঁশগাছ অঢেল। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দক্ষিণবঙ্গেও বাঁশের নানা জিনিসপত্র তৈরি হয়।যার মধ্যে অন্যতম হল ঝুড়ি। রীতি অনুযায়ী, ঝুড়ি বোনা লোকশিল্পের অন্তর্গত। বাংলার নানা প্রান্তে যেখানে বাঁশবাগান রয়েছে, তার আশেপাশের অঞ্চলেই তৈরি হয় ঝুড়ি। আর সেই বাঁশের তৈরী বিভিন্ন উপকরণ তৈরী করে আর্থিক ভাবে স্বচ্ছতা ফিরে স্বর্নিভর হচ্ছেন মহিলারা।





