অভিযোগ, নিউটাউন অ্যাকশন এরিয়া ওয়ান এলাকায় প্রায় ২০০০-এর মতো টোটো ও ই-রিক্সা চলে। বেশ কয়েকমাস যাবৎ তাঁরা এক নতুন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। তাঁদের দাবি, অনলাইন র্যাপিডো বা অনলাইন বিভিন্ন যাত্রীবাহী অ্যাপ সংস্থা তারা বিভিন্ন টোটো ও ই রিক্সা স্ট্যান্ড থেকে যাত্রী তুলে নিয়ে যাচ্ছে। যে কারণে তাঁরা ভাড়া পাচ্ছেন না।
advertisement
এই বিষয়ে প্রশাসনকে জানানোর পরেও কোনও রকম সদুত্তর পাওয়া যায়নি। সেই কারণে রবিবার গোটা অ্যাকশন এরিয়া ওয়ানের সমস্ত টোটো ও ই-রিক্সা বন্ধ করে দিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। রাজারহাট-নিউটনের বিধায়ক, পুলিশ প্রশাসন এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বদের কাছে রবিবার তাঁরা ডেপুটেশন জমা দেবেন এবং এক সপ্তাহের মধ্যে যদি এই সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে গোটা নিউ টাউন জুড়ে সমস্ত টোটো চালক ও রিক্সাচালক বৃহত্তর আন্দোলনের নামবে বলে হুঁশিয়ারি তাঁদের।
আরও পড়ুন: এত লোকের কাজ করলেন, SIR-এর চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ খোদ AERO-র নাম, বিস্মিত গোটা ময়নাগুড়ি!
ই-রিকশা চালানোর জন্য আলাদা করে রাজ্য সরকারের থেকে পারমিটের প্রয়োজন পড়ে না। ফলে ই-রিকশা কিনে চালানো সহজতর। ফলে যানজটের সৃষ্টি হলেও সেক্ষেত্রে সরকারের পক্ষে ই-রিকশা চালকদের পাকড়াও করাও ততটা সহজ নয়। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী বলেন, ‘লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক ই-রিকশা কিনেছে এবং যেহেতু পারমিট নিতে হয় না তাই যত্রতত্র চালাচ্ছে। কিন্তু ধরপাকড় করে বন্ধ করার অধিকার নেই।’
