চিঠিতে বলা হয়েছিল কমিশনের তরফে যে সমস্ত পুলিশ কর্তাকে বদলি করা হয়েছে অর্থাৎ নির্বাচনের কাজে যাঁরা থাকতে পারবেন না, তাঁদের নির্বাচনী প্রচারমূলক কর্মসূচির নিরাপত্তার দায়িত্বে নিযুক্ত করতে চায় রাজ্য পুলিশ। কারণ এত সংখ্যায় বদলের পর সভাগুলির নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে নজরদারি চালানোর মতো পুলিশ কর্তার সংখ্যা কমে গিয়েছে।
advertisement
প্রসঙ্গত, ভোট ঘোষণার পরই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে বড় পরিবর্তন করে কমিশন। মুখ্যসচিবের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় নন্দিনী চক্রবর্তীকে। সরানো হয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনাকেও। ঠিক তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আরেক বড় পদক্ষেপ করে কমিশন। এবার ভোটের আগে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল করে কমিশন। এমনকী কলকাতার পুলিশ কমিশনারও বদল করা হয়। মূলত ভোট পরিচালনার ক্ষেত্রে যে পুলিশ কর্তাদের সরাসরি ভূমিকা থাকে। সেই পদে নতুন কোন IPS অফিসারদের আনা হয়।
