ইউটিউবারদেরও ভিড় লক্ষ্য করা যায় দোকানে। অনেকে সরাসরি এসে এই বিরিয়ানি তৈরির প্রক্রিয়া দেখছেন এবং তা দর্শকদের সামনে তুলে ধরছেন। জানা গিয়েছে, একসময় মানি মার্কেটিং ব্যবসায় ক্ষতির মুখে পড়ে দেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন সুমন। সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার পথ দেখান তাঁর মা গীতা শীল। তাঁর উৎসাহেই শুরু হয় রেস্টুরেন্ট ব্যবসা।
advertisement
প্রথম দিকে নানা সমস্যার সম্মুখীন হলেও, মায়ের দেওয়া ‘মিল্ক বিরিয়ানি’র বিশেষ রেসিপিই ঘুরিয়ে দেয় ভাগ্যের চাকা। এই বিরিয়ানির বিশেষত্ব হল, মাংস দুধের মধ্যেই সেদ্ধ করে তৈরি করা হয়, ফলে স্বাদে আসে আলাদা মাধুর্য। সাধারণ বিরিয়ানির তুলনায় এটি একেবারেই ভিন্ন, যা দ্রুতই মন জয় করেছে ভোজনরসিকদের। মায়ের মৃত্যু হলেও, তাঁর শেখানো রেসিপি মেনেই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন সুমন।
বর্তমানে প্রতিদিন ৬-৭ হাঁড়ি মিল্ক বিরিয়ানি বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিকেল গড়াতেই দোকানে উপচে পড়া ভিড়। কেউ প্যাকেট করে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন, আবার কেউ বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে বসে উপভোগ করছেন এই নতুন স্বাদ। বিরিয়ানির পাশাপাশি চাইনিজ খাবারেরও ব্যবস্থা রয়েছে, সঙ্গে হোম ডেলিভারির সুবিধাও। সব মিলিয়ে, অশোকনগরের এই ছোট্ট রেস্টুরেন্ট এখন খাদ্য রসিকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে এই মিল্ক বিরিয়ানির জন্য।
রুদ্র নারায়ণ রায়





