TRENDING:

CPIM: 'হয় এবার, নয় নেভার...', 'সচেতন' যুবসমাজ আর হিসেবি জোটই এবার বামেদের বাজি! 'শূন্য' থেকে 'সংখ্যায়' ফিরবে লাল পতাকা?

Last Updated:

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শূন্য প্রাপ্তির পর ২০২৬-এ ঘুরে দাঁড়ানোর মরিয়া চেষ্টা শুরু করেছে বামফ্রন্ট। আসন্ন ২৩ ও ২৯ এপ্রিলের নির্বাচনের আগে প্রার্থী বাছাই থেকে জোট কৌশল—সব ক্ষেত্রেই বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বামফ্রন্ট, যার নেতৃত্বে রয়েছে সিপিএম, এবার প্রার্থী নির্বাচনে ঐতিহ্যগত ধারা ভেঙে এক নতুন কৌশল নিয়েছে। ২০২১ সালে একটিও আসন না পাওয়ার পর ২০২৬-এর নির্বাচন তাদের কাছে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। তাই অভিজ্ঞতার বদলে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে যুবশক্তি, পেশাদার দক্ষতা এবং নতুন জোট সমীকরণে।
প্রাণপণ লড়াই! কেন যুবশক্তি ও নতুন জোটেই বড় বাজি ধরছে বামফ্রন্ট?
প্রাণপণ লড়াই! কেন যুবশক্তি ও নতুন জোটেই বড় বাজি ধরছে বামফ্রন্ট?
advertisement

এবারের প্রার্থী তালিকার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল তরুণ মুখের প্রাধান্য। ছাত্র ও যুব সংগঠন থেকে উঠে আসা একাধিক প্রার্থীকে সামনে আনা হয়েছে। উত্তরপাড়া থেকে মিনাক্ষী মুখার্জি এবং দমদম উত্তর থেকে দীপ্সিতা ধর এই প্রচারের মুখ হয়ে উঠেছেন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলন, বিশেষ করে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনার প্রতিবাদে তাঁদের সক্রিয় ভূমিকা তুলে ধরে তাঁদের ‘অ্যাক্টিভিস্ট’ ইমেজ সামনে আনা হচ্ছে। ২৭ জন মহিলা প্রার্থী এবং ৪০ বছরের নিচে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থী দিয়ে প্রথমবারের ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা স্পষ্ট।

advertisement

১৪ দিন টানা কফি খেলে শরীরে কী কী বদল আসে? মেদ কমানো থেকে শুরু করে লিভারের স্বাস্থ্য! সহজ সমাধান জানুন

একইসঙ্গে শহুরে মধ্যবিত্ত ও শিক্ষিত ভোটারদের টানতে পেশাদারদেরও প্রার্থী করা হয়েছে। যাদবপুরে প্রবীণ আইনজীবী তথা প্রাক্তন মেয়র বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং টালিগঞ্জে অধ্যাপক পার্থ প্রতিম বিশ্বাসের মতো নাম তুলে ধরে ‘দক্ষতার ভিত্তিতে শাসন’ বার্তা দিতে চাইছে বামফ্রন্ট। শাসক দলের বিরুদ্ধে ‘সিন্ডিকেট সংস্কৃতি’র অভিযোগ তুলে নিজেদের বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চলছে।

advertisement

জোট রাজনীতিতেও বড় পরিবর্তন এসেছে। দীর্ঘদিনের বাম-কংগ্রেস সমঝোতা কার্যত ভেঙে গিয়েছে। কংগ্রেস আলাদাভাবে ২৮৪টি আসনে লড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বামফ্রন্ট এবার সিপিআই(এমএল) লিবারেশন এবং নওশাদ সিদ্দিকির আইএসএফ-এর সঙ্গে সমঝোতায় গিয়েছে। পাশাপাশি সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে প্রভাব ফেলতে মুর্শিদাবাদ ও মালদহে ছোট আঞ্চলিক দলের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
দুধেই সেদ্ধ হয় চিকেন! এই মিল্ক বিরিয়ানি খেতেই উপচে পড়ছে ভোজন রসিকদের ভিড়
আরও দেখুন

প্রার্থী নির্বাচনে আবেগের দিকটিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নদিয়ার কালীগঞ্জে রাজনৈতিক হিংসায় নিহত এক কিশোরীর মাকে প্রার্থী করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের ইস্যুকে সামনে এনে ভোটে প্রভাব ফেলতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। ব্যক্তিগত ক্ষতিকে বৃহত্তর রাজনৈতিক বার্তায় রূপান্তর করার এই কৌশল গ্রামীণ বাংলায় কতটা সাড়া ফেলে, সেটাই এখন দেখার।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/
CPIM: 'হয় এবার, নয় নেভার...', 'সচেতন' যুবসমাজ আর হিসেবি জোটই এবার বামেদের বাজি! 'শূন্য' থেকে 'সংখ্যায়' ফিরবে লাল পতাকা?
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল