পুলিশ সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদে ওই দু জন পুলিশ জানিয়েছেন, সপরিবারে আত্মঘাতী হওয়ার কথা পরিবারের বড়রা জানলেও প্রণয়ের ১৪ বছরের ছেলে এবং প্রসূনের ১২ বছর বয়সি মেয়ে জানত না৷ কিন্তু পায়েসের মধ্যে কড়া ডোজের ঘুমের ওষুধ মেশানোর পর তা থেকে গন্ধ বের হচ্ছিল৷ সেই গন্ধ চাপা দিতেই ছাদ থেকে তুলসি পাতা তুলে এনে বেটে ওই পায়েসের মধ্যে মিশিয়ে দেওয়া হয়৷
advertisement
আরও পড়ুন: গাড়িতে মিলেছিল বিশেষ ওষুধ, এবার ঝোপের মধ্যে মিলল কী? আরও বিপাকে চণ্ডীতলার প্রাক্তন আইসি
পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত, ট্যাংরার বাড়িতে প্রণয়ের স্ত্রী এবং প্রসূনের স্ত্রী ও মেয়েকে খুনই করা হয়েছে৷ কিন্তু এই খুন প্রণয় অথবা প্রসূন একা করেছেন, নাকি দু জনে মিলেই করেছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়৷ তৃতীয়ও কারও উপস্থিতির সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেই দু জনকে গ্রেফতার করে আরও জেরা করে সেই রহস্যের কিনারা করতে চান তদন্তকারীরা৷
ই এম বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রণয় দে, তাঁর ভাই প্রসূন দে এবং প্রণয়ের ১৪ বছর বয়সি ছেলে৷ সম্ভবত আগামিকাল প্রণয় দে এবং তাঁর কিশোর পুত্রকে কোনও সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে পারে পুলিশ৷
অন্যদিকে ফরেন্সিক পরীক্ষায় জানা গিয়েছে, ই এম বাইপাসে মেট্রো রেলের পিলারে ধাক্কা দেওয়ার আগে প্রণয় এবং প্রসূন দে-র গাড়ির গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৯০ কিলোমিটার৷ গাড়ি চালাচ্ছিলেন ছোট ভাই প্রসূন৷ গাড়ির ভিতর থেকে একটি চাবির গোছাও উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ সম্ভবত দে বাড়ির সদর দরজা সহ বিভিন্ন ঘরের চাবি ছিল ওই গোছাতে৷ তালা দিয়েই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন প্রণয়, প্রসূন এবং ১৪ বছরের ওই কিশোর৷
