গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে৷ সেই তালিকা অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬৩ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে৷ এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে ৬০ লক্ষের বেশি নাম৷ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো বিবেচনাধীন এই বিপুল সংখ্যক ভোটারদের নথি যাচাই করছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা৷
আরও পড়ুন: জ্যোতি বসু না বুদ্ধদেব, ভবানীপুর না নন্দীগ্রাম, বিজেপি না সিপিএম? সোজাসাপ্টা জবাব মমতার
এসআইআর-এর প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এসআইআর প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মধ্যবিত্ত, কৃষক, সংখ্যালঘু, মতুয়া, রাজবংশী, পরিযায়ী শ্রমিক, হিন্দিভাষীদের নাম বাদ দিয়েছে৷ শুধুমাত্র মালদহ জেলায় প্রথমে কয়েক লাখ, তার পরে আরও সাত লক্ষ৷ যাঁদের ২০০২-এ নাম ছিল, বাবা-মায়ের নাম আছে, সব নথি জমা দেওয়ার পরেও যখন ইআরও-রা ফাইনাল করল, তার পরেও দিল্লি থেকে বসে বিজেপি-র কথায় এই ভ্যানিশ কুমার যিনি আগামী দিনে হবে ফিনিশ কুমার তিনি এই সমস্ত নাম বাদ দিয়েছেন৷ তিনি রাজনৈতিক কারণে এসব করছেন, আর কত চাই জানি না৷ বিজেপি বলেছিল ১ কোটি ৩০ লক্ষ থেকে ১ কোটি ৫০ লক্ষ নাম বাদ দেব৷ সেই মতো ১ কোটি ৩৫ লক্ষ নাম বাদ দিয়েছে৷ আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলছি এই লিস্ট তৈরি করেছে বিজেপি পার্টি অফিসে৷ তাহলে বিএলও-রা এই যে বাড়ি বাড়ি ঘুরলেন, বয়স্ক ভদ্রমহিলারা স্ট্রেচারে করে গেলেন, ৭-৮ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ালেন, মানুষ কাজ কামাই করলেন, যা যা নথি চেয়েছিল জমা দিলেন তা সত্ত্বেও তাঁদের নাম বাদ গেল৷
এসআইআর-এর কাজ সম্পূর্ণ করে রাজ্যে সময় মতো বিধানসভা নির্বাচন করা যাবে কি না, তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে৷ এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন না হলেই রাষ্ট্রপতি শাসন করবে৷ এটাই তো ওদের ব্ল্যাক মেল করার প্ল্যান৷ আপনারা কি রাষ্ট্রপতি শাসন চান? আপনারা সবাই আমাদের সঙ্গে পথে নামুন৷ দেখি কত ধানে কত চাল৷’
