বিধানসভা নির্বাচনে আইএসএফ-কে সামনে রেখেই গুটি সাজিয়েছিল সংযুক্ত মোর্চা। কিন্তু পুরভোটের আগে কার্যত তার বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে। নির্বাচনে জোটের জন্য এখনও পর্যন্ত কোনও প্রস্তাব আসেনি মোর্চার পক্ষ থেকে। এদিকে ভোটের সময় এগিয়ে আসছে নির্বাচনী প্রস্তুতির জন্য চাপ বাড়ছে নেতৃত্বের উপর। তাই আর সময় নষ্ট করতে চাইছেন না তাঁরা। প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শুরু করে দিতে চাইছে সংগঠনের নেতারা।
advertisement
আরও পড়ুন: শুভেন্দুর চিঠিতেও আটকাল না, বোলপুরে ছাড়পত্র পেল মেডিক্যাল কলেজ! অনুব্রতর 'জয়'?
সংগঠনের এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, "আর কতদিন সময় দেওয়া যায়। নির্বাচনে লড়ার জন্য প্রস্তুতিও তো নিতে হবে। এখনও পর্যন্ত ঠিক হয়েছে কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া হবে। তবে কোথায় কতজন প্রার্থী দেওয়া হবে, একা লড়া হবে কিনা, বাম-কংগ্রেসের প্রার্থী থাকলে সেই আসনে কী পদক্ষেপ করা হবে, এ সব কিছুই সিদ্ধান্ত হবে ১৪ নভেম্বর সংগঠনের রাজ্য কমিটির বৈঠকে। পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৫ নভেম্বর রাজ্য বামফ্রন্টের বৈঠক রয়েছে। সেই দিকেও নজর রাখা হবে। তবে গুরুত্বহীন হয়ে থাকা যাবে না। প্রয়োজনে একক ভাবেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।"
আরও পড়ুন: মামলার গেরোয় রামায়ণ নিয়ে ত্রিপুরায় কুণাল, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে কোর্টে শুভেন্দুর ভাইও
বিধানসভা নির্বাচনে বাম, কংগ্রেস, আইএসএফ-এর এক মঞ্চে আসায় জন্ম হয়েছিল সংযুক্ত মোর্চা। ভোটের ফলাফল প্রকাশ হতেই দেখা গেল, বাম, কংগ্রেস শূন্য হয়ে গেলেও ভাঙ্গড় বিধানসভা নির্বাচনে মোর্চার একমাত্র প্রার্থী আইএসএফ-এর চেয়ারম্যান নওসাদ সিদ্দিকি জয়লাভ করেন। বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব করার সময় নিজেকে আইএসএফ-এর চাইতেও সংযুক্ত মোর্চার প্রতিনিধি বলতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তিনি। কিন্তু উল্টোদিকে নির্বাচনে ভরাডুবির জন্য আইএসএফ-কেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে চলেছে বিধানসভা নির্বাচনের সময়ের জোটসঙ্গীরা। যদিও পুরসভা নির্বাচনে সেই মোর্চার ভবিষ্যৎ কোনদিকে বাঁক নেয়, সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।
