পুলিশ সূত্রে খবর, সুলতান গত ১৯ বছর ধরে ভুয়ো পরিচয়ে থাকছিল উত্তর বন্দর থানা এলাকার ফুলবাজারের কাছে। কোনও বৈধ নথিপত্র ছাড়াই ২০০৬ সালে বাংলাদেশের রায়পুর থেকে পালিয়ে এদেশে প্রবেশ করে সে। অভিযোগ, বেনাপোল সীমান্ত পেরিয়ে বেআইনি ভাবে ভারতে ঢুকে পড়ে সুলতান। এরপর ট্রেনে করে চলে আসে শিয়ালদহ স্টেশনে এবং ধীরে ধীরে আশ্রয় নেয় কলকাতার ফুলবাজার সংলগ্ন এলাকায়। বদলে নেয় নিজের নাম ও পরিচয়।
advertisement
লম্বা, চ্যাপ্টা নাকি গোল? নখের গড়ন চিনিয়ে দেবে আপনি কেমন মানুষ! মিলিয়ে দেখে নিন
উল্লেখ্য, স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও মাদক বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ছিল অভিযুক্ত। শনিবার রাতে টহলদারির সময় সুলতানের গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয় কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের। তাঁকে ধরতে গেলে আচমকা চড়াও হয় সে। প্রথমে লোহার রড, পরে ছুরি দিয়ে আক্রমণ চালায় উত্তর বন্দর থানার এএসআই পার্থ চাঁদ ও কনস্টেবল সুখেন্দু মাঝির উপর। গুরুতর জখম হন দু’জনই। তাঁদের শরীরে একাধিক সেলাই পড়েছে। ঘটনার পর রাতেই সুলতানকে গ্রেফতার করা হয়।
রবিবার আদালতে পেশ করে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। জেরা চলাকালীন তার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন করতেই একের পর এক চমকপ্রদ তথ্য সামনে আসে। বাংলাদেশ থেকে আসার কোনও বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি সে।
ফলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্টে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে কলকাতা পুলিশ। তিন দিনের হেফাজত শেষে আগামী বুধবার ফের তাকে আদালতে পেশ করা হবে এবং আদালতের কাছে ফরেনার্স অ্যাক্টের বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে।
