ফিরহাদ বলেন, "রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে রাস্তায় নেমেছিলেন। যেখানে তিনি "বাংলার মাটি বাংলার জল ..... " মতো কথা বলেছিলেন। সব ভাই বোনকে এক হওয়ার কথা বলেছিলেন। সেই বঙ্গভঙ্গের দুঃখ নিয়ে, বেদনা নিয়ে কবিগুরুর মৃত্যু হয়েছিল। বঙ্গভঙ্গ রুখতে তিনি রাস্তায় নেমেছিলেন। আমরা কোনভাবেই আর বঙ্গভঙ্গ হতে দেব না। কবিগুরুর আত্মাকে আমরা আর কষ্ট পেতে দেব না। আবার বাংলা ভাঙবে, উপর থেকে দেখে তিনি কষ্ট পাবেন, সেটা আমরা হতে দেব না।"
advertisement
অনুব্রত মণ্ডলের ইডির গ্রেফতারি প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম জানান, "এক তো আমি যতটুকু আইন জানি, সেটা হলো জুডিশিয়ারি কাস্টডি অর্থাৎ জুডিশিয়ারি যতক্ষণ না অনুমতি দেয়, ততক্ষণ সেই অভিযুক্তকে কোথাও নিয়ে যেতে পারে না কোনও এজেন্সি। এজেন্সি নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চাইতেই পারে। কিন্তু সেটা চাইতে হবে বিচারকের কাছে। সেই অনুমতি যতক্ষণ না মিলছে, ততক্ষণ মনে হয় না এজেন্সি নিয়ে যেতে পারবে বা এজেন্সি এই কাজ করতে পারবে। জুডিশিয়ারি ঠিক করবে কী হবে বা কী হবে না।"
আরও পড়ুন, 'আমায় জানান', নিজের ই-মেল আইডি প্রকাশ করে বড় আবেদন শুভেন্দু অধিকারীর!
শুভেন্দু অধিকারীর তোলা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিমের কটাক্ষ, "উনিতো ২ থেকে ৩ বছর আগে নিজেই শাসক দলে ছিলেন। তাহলে তো উনি নিজেই জড়িত। সে ক্ষেত্রে উনিই জানতে পারবেন! আমরা নির্দিষ্ট করে বলছি, পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিয়ে আমরা অত্যন্ত লজ্জিত। কিন্তু আমরা বলে দিচ্ছি, আমাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সৎ। আমরা তৃণমূল কর্মীরা সততার পথে সর্বদা থাকি।"
আরও পড়ুন, 'ছাত্র- শিক্ষক সম্পর্কই খারাপ হয়ে যাবে', নিয়োগ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও এক বিচারপতি
শুভেন্দুকে কটাক্ষ করে ফিরহাদ প্রতিক্রিয়ায় বলেন, "উনি কে ? গায়ে মানে না আপনি মোড়ল। কে আপনি? আপনার কী রয়েছে! আপনি তো একজন বিরোধী দলনেতা মাত্র। এরকম দেখে মনে হচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকার নরেন্দ্র মোদী বা অমিত শাহ চালাচ্ছেন না, চালাচ্ছেন আপনি। আপনি কে! কেন আপনাকে জানাতে যাবে। কেন্দ্রীয় সরকার নোটিফিকেশন দিয়ে কী আপনাকে এ ব্যাপারে প্রতিনিধি করেছে? যে এমন মনে হচ্ছে আপনি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি। আমার মনে হয়েছিল অন্তত শুভেন্দু অধিকারীর মত একজন প্রবীণ রাজনীতিক এরকম করবেন না।
