প্রসঙ্গত, কলকাতায় অনুভূত ভূমিকম্প। শুক্রবার দুপুর ১টা বেজে ২৩ মিনিট নাগাদ পরপর কেঁপে ওঠে কলকাতা। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫.৫। কলকাতা ছাড়া আশেপাশের জেলাগুলিতেও হয়েছে ভূমিকম্প। বাংলাদেশের খুলনার কাছে এর উৎসস্থল। দুপুর ১টা ২২ মিনিটে ভয়াবহ ভাবে ভূমিকম্পে দুলে ওঠে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা৷
গতকালই পাহাড়ে ছড়ায় আতঙ্ক। মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং। উত্তরবঙ্গে কম্পন শুরু হতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে কলকাতাতেও। উৎপত্তিস্থল সিকিম। রিখটার স্কেলে তীব্রতা ছিল ৪.৬! বহু পর্যটকই এখন পাহাড়ে আছেন। এই ঘটনায় তাঁরাও চিন্তিত। দিন কয়েক আগে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একাধিক বার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। দফায় দফায় সিকিমের বিভিন্ন অংশে ভূমিকম্প হয়েছে। সে সময় ১৩ বার ভূমিকম্প হয়।
advertisement
এদিন বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অনুভূত হল ভূমিকম্পন। বাঁকুড়াতেও ভূমিকম্প হয়। আগের দিনই ৬ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতেও ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দার্জিলিং৷ কম্পন অনুভূত হয়েছে শিলিগুড়ি-সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায়৷ তবে এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সিকিমে৷ ফলে গ্যাংটক, পেলিংয়ের মতো সিকিমের বিস্তীর্ণ অংশে কম্পনের তীব্রতা ছিল তুলনামূলক ভাবে বেশি৷ ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি-র তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সিকিমের গ্যালশিং-এ ভূপৃষ্ঠ থেকে দশ কিলোমিটার গভীরে৷ রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৪.৫৷ যদিও খুব অল্প সময়ের জন্যই এই কম্পন অনুভব করা গিয়েছে৷
