পুলিশ সূত্রে খবর, বডিগার্ড লাইন্সের ভেতরে ক্যান্টিনে কাজ করতেন সমীর । সঙ্গে তার ভাইও কাজ করতেন । বাঁকুড়ায় তাদের বাড়ি হলেও ওই ক্যান্টিনেই থাকতেন তাঁরা । এদিন সন্ধ্যায় ক্যান্টিন থেকে পচা দুর্গন্ধ বেরোনো চাঞ্চল্য তৈরি হয় । পুলিশ এসে ক্যান্টিনের ভেতর থেকে সমীরের দেহ উদ্ধার করে । কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান মুরলীধর শর্মা জানিয়েছেন, মৃতদেহের উপরে বালিশ চাপা দেওয়া ছিল । ঠিক কী কারণে মৃত্যু হয়েছে সমীরের তা জানতে ময়না তদন্ত করা হবে ।
advertisement
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের ভাই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন তার দাদা অসুস্থ ছিলেন। করোনা আক্রান্ত ছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে । যদিও তার সেই দাবির কতটা সত্যতা রয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে । মৃতদেহ দেখে গোয়েন্দাদের ধারণা অন্তত ২৪ ঘন্টা আগে মৃত্যু হয়েছে সমীরের । সে ক্ষেত্রে মারা যাওয়ার পরেও কেন বিষয়টি তার ভাই চেপে গিয়েছিল তাতে উঠছে প্রশ্ন । সে বিষয়ে মৃতের ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
যদিও প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে মৃতের শরীরে বাইরে থেকে কোথাও কোনও আঘাতের চিহ্ন মেলেনি । বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে নাকি অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয়েছে তা জানা যাবে বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের পরই । তবে করোনা আবহে আলিপুর বডিগার্ড লাইন্সের ভেতরে ক্যান্টিন কর্মীর এরকম রহস্যমৃত্যুতে সেখানকার আবাসিকদের মধ্যে প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়েছে ।
SUJOY PAL
