পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চুঁচুড়ায় প্রাপ্ত হুমকি ই-মেলের তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়েছে রাজ্য পুলিশের সাইবার উইং। একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (স্পেশাল টিম) গঠন করা হয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে পাঠানো হুমকি ই-মেলের ক্ষেত্রেও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে সাইবার দফতর।
advertisement
তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, যে ই-মেল আইডি থেকে হুমকি বার্তা পাঠানো হয়েছে সেটি জার্মানিতে তৈরি করা হয়েছিল। তবে তদন্তকারীদের সন্দেহ, এটি প্রকৃত অবস্থান আড়াল করার কৌশল হতে পারে।
দিল্লি ও বেঙ্গালুরুর ক্ষেত্রেও একই ধরনের হুমকি ই-মেল পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে বিষয়টি আন্তঃরাজ্য এবং সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
সাইবার বিশেষজ্ঞদের অনুমান, টর (Tor) ব্রাউজার ব্যবহার করে ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে ই-মেল পাঠানো হয়েছে। এই পদ্ধতিতে বিশেষ এনক্রিপ্টেড ই-মেল পরিষেবা ব্যবহার করে সম্পূর্ণ বেনামে বার্তা পাঠানো সম্ভব। এর ফলে প্রেরকের নাম, অবস্থান বা প্রকৃত আইপি ঠিকানা শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।
ডার্ক ওয়েব-ভিত্তিক এই প্রযুক্তি ব্যবহার করলে এক দেশ থেকে অন্য দেশে ভার্চুয়াল সার্ভারের মাধ্যমে বার্তা রাউট করা যায়। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, পাকিস্তানের মতো দেশ থেকেও এ ধরনের ই-মেল পাঠানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
তবে এখনই কোনও নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ তদন্তকারীরা। প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার সহায়তায় তদন্ত এগোচ্ছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হয়েছে।
