সূত্রের খবর, স্কুলে সিআইএসএফ-এর আটকে থাকার বিষয়ে ১৪ জানুয়ারি রাজ্যকে নথি পেশের নির্দেশ বিচারপতি’র। আর জি কাণ্ডের পর এতদিন ধরে স্কুলে CISF কর্মীরা আটকে থাকায় ভুক্তভোগী স্কুল৷ একাধিক বার স্কুল খালির আবেদন করেও কোন কাজ না হওয়ায় অবিলম্বে স্কুল ছাড়ার আর্জি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ কতৃপক্ষ।
আরও পড়ুন: ৯৬ বছরের শয্যাসায়ী বৃদ্ধাকে কেন ডাকা হল শুনানি কেন্দ্রে? মিনতি দত্তের বাড়িতে নির্বাচন কমিশন
advertisement
আরও পড়ুন: গিগ কর্মীদের জন্য বড় সুখবর! ৯০ দিন কাজ করলে দিতে হবে সামাজিক সুরক্ষা, নয়া নিয়ম আনছে কেন্দ্র
২০২৪ সালের ৮ অগাস্ট আর জি কর হাসপাতালে নির্যাতিতার নৃশংস মৃত্যুর পর হাসপাতালে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে নির্দেশ দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। এরপর রাজ্য সরকার ২ কোম্পানি সিআইএসএফ নিরাপত্তা রক্ষীদের থাকার জন্য ট্যাংরা অঞ্চলের এই স্কুলটি নিয়েছিল। কারন স্কুলে নিয়মিত পঠন পাঠন হয়না। কিন্তু কতৃপক্ষের দাবি স্কুলে চাইনিজ সম্প্রদায়ের লোকজনের বিবাহ থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়। স্কুল আটকে রাখায় তাদের অসুবিধা হচ্ছে।
