সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টের ওয়েবসাইটে ক্রেশ সংক্রান্ত একটি নোটিস প্রকাশ করেছে আদালত কর্তৃপক্ষ। ওই নোটিসে জানানো হয়েছে, আদালতের কর্মচারী, আইনজীবী এমনকি মামলার সঙ্গে যুক্ত পক্ষরাও অল্প খরচে এই ক্রেশ পরিষেবার সুবিধা নিতে পারবেন।
নোটিস অনুযায়ী, কোর্টের কার্যদিবসে প্রতিদিন সকাল সাড়ে দশটা থেকে সন্ধ্যা ছ’টা পর্যন্ত শিশুদের ক্রেশে রাখা যাবে। প্রাথমিক ভাবে এই কেন্দ্রে চারটি আসন থাকছে।
advertisement
শিশুদের নিরাপত্তা ও পরিচর্যার জন্য নির্দিষ্ট কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। ক্রেশের দায়িত্বে থাকবেন একজন ইনচার্জ ও একজন সহকারী ইনচার্জ। পাশাপাশি থাকবেন একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নার্স, একজন মেডিক্যাল অফিসার, দু’জন আয়া এবং দু’জন নিরাপত্তারক্ষী। গোটা কেন্দ্রের উপর নজরদারির জন্য বসানো হবে সিসি ক্যামেরা।
চালের সঙ্গে কতটা সুজি দিলে জুঁইফুলের মতো ঝরঝরে, নরম ইডলি হবে, জানেন? ঠিক মাপটা লিখে রাখুন
৭০ বছরেও হাড়ভাঙা পরিশ্রম! ছেলের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন হাওড়ার এই মা, চালাচ্ছেন ৩ ফুটের দোকান!
ক্রেশে শিশুদের রাখার ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নিয়মও মানতে হবে অভিভাবকদের। নোটিস অনুযায়ী, শিশুর জন্মের শংসাপত্র যাচাই করা হবে। একটি রেজিস্টারে শিশুর সমস্ত তথ্য নথিবদ্ধ করতে হবে এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য জরুরি ফোন নম্বর দিতে হবে।
এছাড়াও শিশুর প্রয়োজনীয় খাবার, ওষুধ ও অতিরিক্ত পোশাক অভিভাবকদেরই দিতে হবে। পরিচয় ও নিরাপত্তার স্বার্থে শিশুদের হাতে পরানো হবে তাদের তথ্য সংবলিত ব্যান্ড।
আদালত প্রাঙ্গণে এই ধরনের ক্রেশ চালু হওয়ায় কর্মরত অভিভাবকদের মধ্যে স্বস্তি তৈরি হয়েছে। কাজের চাপের মাঝেও শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে রাখার সুযোগ মিলবে বলেই মনে করছে আইনজীবী ও আদালত কর্মীদের একাংশ।
