TRENDING:

IAS-IPS বদলি ইস্যুতে জোড়া মামলা খারিজ হাইকোর্টে...! 'কমিশন কারণ দেখাতে বাধ্য নয়', কড়া পর্যবেক্ষণ ডিভিশন বেঞ্চের!

Last Updated:

Calcutta High Court: 'কমিশন কারণ দেখাতে বাধ্য নয়', রাজ্যের আধিকারিকদের বদলি নিয়ে করা জোড়া মামলা খারিজ হয়ে গেল হাইকোর্টে, এই মামলায় ১২ টি বিষয় উল্লেখ করে কড়া পর্যবেক্ষণ দিল ডিভিশন বেঞ্চ। কী জানাল আদালত?

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
কলকাতা: জাতীয় নির্বাচন কমিশনের IAS-IPS বদলিতে স্থগিতাদেশ চেয়ে করা রাজ্যের মামলা খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার এই মামলায় রাজ্যের আইএএস-আইপিএস আধিকারিকদের রদ বদলে কোনও হস্তক্ষেপই করল না কলকাতা হাইকোর্ট। এই ইস্যুতে আইনজীবী অর্ককুমার নাগের জনস্বার্থ মামলা খারিজ করল হাইকোর্ট।
কলকাতা হাইকোর্ট৷
কলকাতা হাইকোর্ট৷
advertisement

১৫ মার্চ থেকে ১৯ মার্চের মধ্যে ৪৬ জন অফিসার বদল করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং পার্থ সারথি সেন এর ডিভিশন বেঞ্চ। আবার একই সঙ্গে থানার আইসি, ওসি এবং BDO-দের বদলির মামলাও খারিজ করল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

আরও পড়ুন: ফ্যানের ব্লেডে ময়লার ‘লেয়ার’…! তুড়িতে হবে ‘ঝকঝকে-তকতকে’, শিখে নিন ‘পাঁচ’ মোক্ষম টেকনিক!

advertisement

প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ: এই মামলায় মূলত ১২ পর্যবেক্ষণ স্পষ্ট করল হাইকোর্ট:

১) যেহেতু এই অফিসারদের অল্প সময়ের জন্য সরানো হচ্ছে, তাই নির্বাচন কমিশনের উপর কোনও বাধ্যবাধকতা নেই যে প্রতিটি ট্রান্সফারের কারণ ব্যাখ্যা করবে। এই ধরনের ট্রান্সফার সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য, প্রেক্ষিত বুঝতে হবে।

২) অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টও মত দিয়েছিল, নির্বাচনের সময় অফিসারদের ট্রান্সফার করতে গেলে কমিশন কারণ দেখাতে বাধ্য নয়।

advertisement

আরও পড়ুন: ‘দুই’ তেলই ‘ব্রক্ষ্মাস্ত্র’…! বাড়ির আশেপাশে ঘেঁষবে না ‘সাপ’, বিষধরদের তাড়াতে নিন ৫ সঠিক ‘কৌশল’, নইলে গিজগিজ করবে বাড়িময়!

৩) এলাহাবাদ হাইকোর্ট রায়ে বলেছে—সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনের ব্যাপক ক্ষমতা রয়েছে। ফলে ট্রান্সফার করাও সেই ক্ষমতার মধ্যে পড়ে।

৪) জনস্বার্থ মামলাকারী এবং রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) বিভিন্ন আইনি যুক্তি দিয়েছেন। কিন্তু তাঁরা কোথাও বলেনি কমিশনের ক্ষমতা নেই। তাঁদের বক্তব্য, কমিশন ইচ্ছামতো ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। আদালতও মনে করছে, সংবিধানের ৩২৪ ধারা অনুযায়ী কমিশনের ক্ষমতা আছে।

advertisement

৫) অনেক অফিসার বদলি হয়েছে মানেই এটাকে কমিশনের খারাপ উদ্দেশ ছিল এটা বলা যায় না। কারণ সারা দেশে এমন বদলির উদাহরণ রয়েছে। এই বিষয়টি কেউ অস্বীকারও করেনি।

৬) আধিকারিকদের বদলি একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত। আদালত সাধারণত এতে হস্তক্ষেপ করে না। যদি কমিশন ক্ষমতার বাইরে গিয়ে স্পষ্ট ভাবে বেআইনি কাজ করত, তবেই হস্তক্ষেপ করা যেত।

advertisement

আরও পড়ুন: ভোটার লিস্টে নাম না থাকলে ট্রাইব্যুনালের পোর্টালে অনলাইনে করতে পারেন আবেদন…! কী ভাবে করবেন? জানুন খুঁটিনাটি!

৭)পুলিশ, প্রশাসনের বদলি চাকরির একটি স্বাভাবিক অংশ। যদি কোনও অফিসার অসন্তুষ্ট হন—তিনি আলাদা মামলা দায়ের করে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন।

৮) যে সব বদলি সরাসরি জনস্বার্থে ক্ষতি করেনি, সেগুলি জনস্বার্থ মামলায় বিচার করা যায় না।

৯) কোনও জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার জন্য জনসাধারণের উপর প্রভাব পড়েছে এটা প্রমাণ করতে হয়। কিন্তু এখানে মামলাকারী প্রমাণ করতে পারেননি যে— এই সব বদলির ফলে প্রশাসন ভেঙে পড়বে এবং মানুষ কোন কোন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে।

১০) এই সব বদলির পিছনে মামলাকারী রাজনৈতিক যোগসাজশের অভিযোগ তুলেছিলেন। কিন্তু কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি। এমনকি যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁদের মামলায় যুক্ত করা হয়নি। তাই আদালত এই সব অভিযোগ গ্রহণ করছে না।

১১) এই জনস্বার্থ মামলার কোনও ভিত্তি নেই। মামলাটি খারিজ করল আদালত। তবে কোনও জরিমানা করা হচ্ছে না।

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
মেদিনীপুরের গর্ব এই ‘লাল বাড়ি’, যেখানে গর্জে উঠেছিল স্বাধীনতার বন্দুক, জানুন গর্বের ইতিহাস
আরও দেখুন

১২) কিন্তু এই রায়ের কারণে কোনও অফিসার যদি ক্ষতিগ্রস্ত হন, তিনি আলাদা করে নিজেদের বদলি চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।

বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/
IAS-IPS বদলি ইস্যুতে জোড়া মামলা খারিজ হাইকোর্টে...! 'কমিশন কারণ দেখাতে বাধ্য নয়', কড়া পর্যবেক্ষণ ডিভিশন বেঞ্চের!
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল