এই ইনজেকশন দু ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সঠিকভাবে সংরক্ষিত করা হয়। চুরি যাওয়া এই ইনজেকশন সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা না হলে রোগীর শারীরিক অবনতি ঘটতে পারে। নির্দিষ্ট ব্যাচ নম্বরে এই ইনজেকশন যেন কোনভাবেই ব্যবহার না করা হয় বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে ওষুধের ব্যাচ নাম্বারের গরমিলের ঘটনায় করা পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল। শোকজ করা হচ্ছে ওই ওষুধের দোকানকে। আগামী তিন দিনের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স সাময়িক সাসপেন্ড করা হবে। প্রয়োজনে সারপ্রাইজ ভিজিট করা হবে ওই দোকানে।ড্রাগ কন্ট্রোলের তরফ থেকে বিভিন্ন ওষুধের দোকানে সারপ্রাইজ ভিজিটের সংখ্যা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে স্বাস্থ্য দফতর এই ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল কী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।
advertisement
অন্যদিকে, এক্সপিয়ারারি ডেট এর থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাচ নম্বর। বিষয়টিকে সচেতনভাবে সংবাদ মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য নিউজ এইট্টিন বাংলাকে ধন্যবাদ বেঙ্গল কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের। স্যালাইন কেস থেকে ওআরএস স্ক্যাম সবেতেই ব্যাচ নাম্বার ধরেই বাজার থেকে ওষুধ তুলে নেওয়া হয়েছিল। সেক্ষেত্রেই ব্যাচ নাম্বার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করেন চিকিৎসক কাজল কৃষ্ণ বণিক।
