যদিও কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী আগাম সাক্ষাতের নির্ধারিত সময় ছাড়া কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হয় না কমিশনের দফতরে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি-সহ কংগ্রেসের নেতারা কমিশনে ঢুকতে পারেন কিনা সেটাই এখন দেখার।
প্রসঙ্গত, এসআইআর আবহে ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারকে চিঠি দিয়েছেন অধীররঞ্জন চৌধুরীর। জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়ে অধীররঞ্জন চৌধুরীর দাবি, ‘SIR-এর পুরো প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের দিন ঘোষণা যেন না হয়। ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারদের তালিকা সম্পূর্ণ করে ভোট ঘোষণা করতে হবে। ১ বার ভোট ঘোষণা হয়ে গেলে এরা আর ভোট দিতে পারবেন না’, এই উদ্বেগ প্রকাশ করে চিঠি দিয়েছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ।
advertisement
প্রসঙ্গত, রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে অন্য সব প্রসঙ্গকে পেছনে ফেলে আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া, পোশাকি ভাষায় নির্বাচন কমিশন যার নামকরণ করেছে ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’, সংক্ষেপে ‘এসআইআর’। ইতিমধ্যেই প্রধান এসআইআর এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর ধরনার পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগেও একের পর এক কমিশনকে চিঠি লেখার দাবি জানিয়েছেন মমতা। এবার সম্ভবত এসআইআর নিয়ে একই পথে হাঁটতে চলেছে প্রদেশ কংগ্রেস।
