নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে গর বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যকার সম্পর্ক একটি দৃঢ় ব্যক্তিগত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে। “আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি, এবং আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব বাস্তব,” তিনি বলেন। তিনি আরও যোগ করেন, দুই দেশের সম্পর্ক সর্বোচ্চ রাজনৈতিক স্তরে সুদৃঢ়ভাবে প্রোথিত। বন্ধু উল্লেখ্য করে গর বলেন, ‘‘প্রকৃত বন্ধুরা মতবিরোধ করতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা সবসময়ই তা মিটিয়ে ফেলে,”৷
advertisement
আরও পড়ুন: আইপ্যাক কাণ্ডে প্রতীক জৈনের প্রতিবেশীদের তলব পুলিশের, সিজিও কমপ্লেক্সে বাড়ল ফোর্স
ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি “গভীর শ্রদ্ধা” ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার স্পষ্ট ম্যান্ডেট নিয়ে ভারতে এসেছেন। বিশ্বের প্রাচীনতম গণতন্ত্র ও বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের মধ্যকার অংশীদারিত্ব হিসেবে এই সম্পর্ককে বর্ণনা করে গর বলেন, তাঁর লক্ষ্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সম্পর্ককে “পরবর্তী স্তরে” নিয়ে যাওয়া।
গর আরও জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভারত সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। সাম্প্রতিক একটি কথোপকথনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ট্রাম্প তাঁর শেষ ভারত সফর এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথা উষ্ণতার সঙ্গে উল্লেখ করেছিলেন। “আমি আশা করি প্রেসিডেন্ট শিগগিরই আমাদের দেশে আসবেন, সম্ভবত আগামী এক-দুই বছরের মধ্যেই,” গর বলেন। রসিকতার সুরে তিনি যোগ করেন, ট্রাম্পের গভীর রাতে ফোন করার অভ্যাস ভারত–যুক্তরাষ্ট্র সময়ের পার্থক্যের সঙ্গে বেশ মানিয়ে যায়।
এর আগে, ৯ জানুয়ারি ভারতে পৌঁছে গর জানিয়েছিলেন লিখেছিলেন যে “ভারতে ফিরে এসে দারুণ লাগছে” এবং দুই দেশের জন্যই “অবিশ্বাস্য সুযোগ” সামনে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। বিশ্বের প্রাচীনতম গণতন্ত্র ও বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের মধ্যকার অংশীদারিত্ব হিসেবে এই সম্পর্ককে বর্ণনা করে গর বলেন, তাঁর লক্ষ্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই সম্পর্ককে “পরবর্তী স্তরে” নিয়ে যাওয়া।
