আমেরিকার সংঘাতের আবহে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করেছে ইরান। ফলে আমদানি রফতানির ক্ষেত্রে বিপাকে পড়েছে বহু দেশ। এর মাঝেই বড় ঘোষণা করলেন ট্রাম্প। আমদানি রফতানির ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর প্রহরায় ওই হরমুজ প্রণালী পার করবে। কিন্তু, তার জন্য কিছু যুক্তিসঙ্গত মূল্য প্রদান করতে হবে জানান তিনি।
এরপরেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে তিনি লেখেন,
advertisement
“হরমুজ প্রণালীতে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, আমি যুক্তরাষ্ট্রের ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (DFC)-কে নির্দেশ দিয়েছি যে, খুব যুক্তিসঙ্গত মূল্যে রাজনৈতিক ঝুঁকি বিমা ও গ্যারান্টি প্রদান করবে সব ধরনের সামুদ্রিক বাণিজ্যের, বিশেষ করে শক্তি (Energy) পরিবহনের ক্ষেত্রে, যা পার করবে উপসাগর মাধ্যমে। এটি সব শিপিং লাইনের জন্য উপলব্ধ হবে। প্রয়োজনে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী তত তাড়াতাড়ি হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কারগুলি প্রহরায় প্রেরণ করবে। যাই হোক না কেন, যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করবে বিশ্বব্যাপী শক্তির (Energy) মুক্ত প্রবাহ। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ। আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই বিষয়টিতে মনোযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ!”
প্রসঙ্গত, ওমানের হরমুজ প্রণালীতে আবারও ইরানের বিমান হানা৷ এবার ‘স্কাইলাইট’ নামের ওয়েল ট্যাঙ্কারের উপরে এসে পড়ল বোমা৷ হামলার সময় ট্যাঙ্কারটি হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে৷ আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ বিমানহানায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের৷ তারপর থেকেই মধ্য প্রাচ্যের ইউএস ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান৷
সোশ্যাল মিডিয়ায় যে সমস্ত ভিডিও সামনে এসেছে, প্রণালী দিয়ে যাওয়ার সময় ওই ভেসেলকে টার্গেট করে ইরান৷ সঙ্গে সঙ্গে ওই ওয়েল ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরণ হয়৷ আকাশ ঢেকে যায় কালো ধোঁয়ায়৷ প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ওই ওয়েল ট্যাঙ্কারে থাকা ৪ জন নাবিক এই ঘটনায় আহত হয়েছেন৷ ভেসল থেকে বাকি কর্মীদের নিরাপদে বাইরে বের করে আনা গিয়েছে অবশ্য৷ তবে তেলের ট্যাঙ্কারটির ঠিক কতটা ক্ষতি হয়েছে তা জানা যায়৷ ওই ট্যাঙ্কারে প্রায় ১৫ জন ভারতীয় নাবিক ছিল বলে জানা গিয়েছে৷ এরপরেই স্থায়ীভাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানায় ইরান।
