Iran vs US Conflict: 'আজ রাতেই শেষ?'—ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর ব্রিজ থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রে নতুন চমক তেহেরানের! কী হচ্ছে ইরানে?
- Published by:Soumendu Chakraborty
- news18 bangla
Last Updated:
মার্কিন হামলার আশঙ্কায় ইরান জুড়ে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলির সামনে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়ে মানবশৃঙ্খল গড়ে তুলেছেন। মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এই খবর জানিয়েছে। সম্ভাব্য হামলা থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
advertisement
1/7

মার্কিন হামলার আশঙ্কায় ইরানজুড়ে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়ে মানবশৃঙ্খল তৈরি করেছেন। মঙ্গলবার দেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলিকে সম্ভাব্য হামলার হাত থেকে বাঁচাতেই এই উদ্যোগ বলে জানা গেছে।
advertisement
2/7
এই পদক্ষেপ এমন সময় নেওয়া হয়েছে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উপর হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছিলেন, তেহরান তাঁর শর্ত না মানলে সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালানো হতে পারে।
advertisement
3/7
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম Press TV-র প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, বহু মানুষ জাতীয় পতাকা হাতে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুর সামনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। কোথাও কোথাও হাজার হাজার মানুষ মানবঢালের মতো ঘিরে রেখেছেন ওই সব জায়গা, যেগুলিকে আমেরিকা টার্গেট করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
advertisement
4/7
এর আগে ইরান সরকার সাধারণ মানুষ—বিশেষ করে যুবক-যুবতী, শিল্পী ও ক্রীড়াবিদদের—এই উদ্যোগে অংশ নিতে আহ্বান জানিয়েছিল। দেশের সুপ্রিম কাউন্সিল অফ ইয়ুথ অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্টস-এর সচিব আলিরেজা রহিমি তরুণদের এগিয়ে এসে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষায় মানবশৃঙ্খল গড়ার ডাক দেন।
advertisement
5/7
রহিমি জানান, এই ধারণাটি মূলত তরুণদের থেকেই এসেছে। তাঁর কথায়, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, তরুণ শিল্পী ও বিভিন্ন যুব সংগঠন প্রস্তাব দেয় যে দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিকে ঘিরে মানবশৃঙ্খল তৈরি করা হোক।”
advertisement
6/7
তিনি আরও বলেন, “Human Chain of Iran’s Youth for a Bright Future” নামে এই অভিযানের লক্ষ্য দেশের ঐক্য ও দৃঢ়তা তুলে ধরা।
advertisement
7/7
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম Truth Social-এ ট্রাম্প লেখেন, “একটি গোটা সভ্যতা আজ রাতেই শেষ হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনও ফিরে আসবে না। আমি তা চাই না, কিন্তু সম্ভবত সেটাই ঘটবে। তবে যদি সম্পূর্ণ শাসন পরিবর্তন ঘটে এবং আরও বিচক্ষণ ও কম উগ্র নেতৃত্ব আসে, তাহলে হয়তো নতুন কিছু ভালো ঘটতে পারে। ৪৭ বছরের শোষণ, দুর্নীতি ও মৃত্যুর অবসান হতে পারে।”