গত ১৮ মার্চ একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ পায়, ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে আরও হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন করার কথা ভাবছে। ইরানের ভেতরে সৈন্য মোতায়েনের বিষয়টিও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এই প্যারাট্রুপাররা নর্থ ক্যারোলাইনার ফোর্ট ব্র্যাগ থেকে যাত্রা শুরু করেছেন। তাঁরা মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা কয়েক হাজার অতিরিক্ত নাবিক, মেরিন ও ‘স্পেশাল অপারেশনস ফোর্স’–এর সঙ্গে যুক্ত হবেন। গত সপ্তাহান্তে প্রায় ২,৫০০ মেরিন সেনাসদস্য মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন।
advertisement
এদিকে, আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতরের একজন কর্মকর্তা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের ইসফাহানে একটি বিশাল গোলাবারুদের ডিপোতে ২ হাজার পাউন্ডের (৯০৭ কেজি) ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা দিয়ে হামলা চালিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলায় বিপুলসংখ্যক ‘পেনিট্রেটর মিউনিশন’ বা ভূগর্ভস্থ স্থাপনা ধ্বংসকারী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
ইসফাহানে বিশাল বিস্ফোরণের একটি ভিডিও ট্রাম্প কোনও ক্যাপশন ছাড়াই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার পর এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার ভোরে কোনও মন্তব্য ছাড়াই একটি বিশাল বিস্ফোরণের ভিডিও শেয়ার করেছেন। এটি ইসফাহানের উপকণ্ঠে চালানো একটি বড় ধরনের হামলার বলে মনে করা হচ্ছে।
বেলুচ মানবাধিকার গোষ্ঠী ‘হালভাশ’ ইসফাহানের বাইরে থেকে ধারণ করা একই ধরনের আরও কিছু ভিডিও শেয়ার করেছে। নাসা’র স্যাটেলাইটের তথ্য, বিস্ফোরণগুলো সোফেহ পাহাড়ের কাছে ঘটেছে। ধারণা করা হয়, ওই এলাকায় সামরিক অবস্থান রয়েছে। ভিডিওগুলোতে আগুনের বিশাল কুণ্ডলী ও বারবার হতে থাকা ছোট ছোট বিস্ফোরণ দেখা গেছে। সাধারণত গোলাবারুদের ডিপোতে আগুন লাগলে এই ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে থাকে।
