মাসুদ আজহারের পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে একজন হলেন মৃত তাহির আনোয়ার৷ দীর্ঘদিন ধরে জইশ-ই-মোহাম্মদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সংগঠনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন বলে জানা যায়। সংগঠনের টেলিগ্রাম চ্যানেলের মাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর জানান হয়। সেখানে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুরের জামিয়া উসমান-ও-আলিতে রাত ১১টায় তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। যদিও তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। অসুস্থতা নাকি মৃত্যুর পেছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, তা এখনও জানা যায়নি৷
advertisement
২০০১ সালের ভারতের সংসদে হামলা, ২০১৬ সালে পাঠানকোটে হামলা, উরি থেকে শুরু করে পুলওয়ামা, ভারতের একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে জইশ-ই-মহম্মদ৷
ভারত এর আগে পাকিস্তানের ভেতরে জইশের ঘাঁটি লক্ষ্য করে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছে, যার মধ্যে বাহাওয়ালপুরে সংগঠনের সদর দফতরও ছিল। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে জইশ প্রথমবারের মতো পরোক্ষভাবে স্বীকার করে যে, ভারতের এক অভিযানে মাসুদ আজহারের পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন। অপারেশন সিঁদুরের অংশ হিসেবেও এই ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিল ভারত৷ সেই হামলায় প্রায় ২৬ জন নিহত হয় বলে জানা যায়৷
ভারতের এই অভিযানে বাহাওয়ালপুরের জামিয়া মসজিদ সুবহান আল্লাহ কমপ্লেক্সসহ একাধিক সন্ত্রাসী ঘাঁটি ধ্বংস হয়ে যায়। ওই হামলায় মাসুদ আজহারের প্রায় ১০ জন আত্মীয় নিহত হন, যার মধ্যে তাঁর বোন, বোনের স্বামী, এক ভাইপো, এক ভাইঝি এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন। এছাড়াও জইশ প্রধানের কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীও ওই হামলায় নিহত হন।
