দুবাইয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, তাদের জলসীমার মধ্যেই একটি কুয়েতি ট্যাঙ্কারে সম্ভাব্য ড্রোন হামলার ঘটনায় সমস্ত রকম জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে৷ অগ্নিনির্বাপক দল আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এবং জাহাজের ২৪ জন নাবিকই নিরাপদ রয়েছেন।
advertisement
KPC জানিয়েছে, “আল-সালমি” নামের ওই ট্যাঙ্কারটির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে। Lloyd’s List Intelligence-এর তথ্য অনুযায়ী, KPC-ই জাহাজটির নিবন্ধিত মালিক ও বাণিজ্যিক অপারেটরের মূল সংস্থা। হরমুজ প্রণালী এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর সাম্প্রতিক ধারাবাহিক হামলার সর্বশেষ ঘটনা হল এটি৷ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকেই এই অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে।
ঘটনার জেরে বৈশ্বিক তেলের বাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। মার্কিন অপরিশোধিত তেলের ফিউচার দাম ব্যারেল প্রতি ৩ ডলারের বেশি (প্রায় ২.৯ শতাংশ) বেড়ে ১০৫.৯১ ডলারে পৌঁছেছে। একই দিনে সৌদি আরবের রাস তানুরা উপকূলের কাছে একটি গ্রিক মালিকানাধীন কন্টেইনার জাহাজের কাছাকাছি দুটি ক্ষেপণাস্ত্র সদৃশ বস্তু জলে আঘাত হানার ঘটনা ঘটেছে বলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।
লিবারিয়ান পতাকাবাহী “এক্সপ্রেস রোম” নামের জাহাজটির এক প্রতিনিধি জানান, রাস তানুরা থেকে প্রায় ৪০.৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে জাহাজটির কাছাকাছি দুই দফায় এই ঘটনা ঘটে। তবে জাহাজের নাবিকরা সবাই নিরাপদ রয়েছেন। প্রসঙ্গত, গত ১১ মার্চ একই জাহাজে হামলার দায় স্বীকার করেছিল ইরানের Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC)। তবে দুবাইয়ের ট্যাঙ্কার হামলা বা সৌদি উপকূলের ঘটনাগুলোর দায় এখনো পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি।
