এলমাসরি বলেন, ‘ঐতিহাসিকভাবেই আমেরিকা প্রতি বছর ইজরায়েলকে ৩৮০ কোটি ডলারের বিশাল সামরিক সহায়তা দিয়ে থাকে। যুদ্ধের সময় এই সহায়তার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়।’
তবে এই বিশ্লেষক মনে করেন, ইজরায়েলের ভেতরে হয়ত এখন এমন একটি ধারণা তৈরি হচ্ছে যে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। কারণ, আমেরিকার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পাল্টাচ্ছে। এখন অনেক মার্কিন শুধু ইজরায়েলের সমালোচনাই করছেন না, বরং দেশটিকে আমেরিকার দেওয়া সমর্থনেরও বিরোধিতা করছেন। এলমাসরি আরও বলেন, এই বিশাল বাজেট ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইজরায়েল মনে করে না তারা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে আছে। বরং তারা হয়ত যুদ্ধের মাঝপথে বা শুরুর কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।
advertisement
এলমাসরি মনে করেন, সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন ও ইরানের বিরুদ্ধে ইজরায়েল একটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মূলত ‘গ্রেটার ইজরায়েল’ বা ‘বৃহত্তর ইজরায়েল’ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ পথে এগোচ্ছে তারা।
এদিকে, ইজরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত তাদের ২৬১ জন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত কতজন সেনা মারা গিয়েছেন, সেই সংখ্যা প্রকাশ করেনি ইজরায়েল। ইজরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আহত ৬ হাজার আটজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১২১ জন এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অন্তত ২৩২ জন আহত ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
