এতদিন আরাফি অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টসের ডেপুটি চেয়ারম্যান ছিলেন, সেই সঙ্গে ইরানের শিক্ষামন্ত্রকের প্রধানের দায়িত্বও সামলেছেন তিনি। এবার লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য হয়েছেন আরাফি। ওই কমিটিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ান এবং বিচারব্যবস্থার প্রধান মহসেনি এজেইয়ের সঙ্গে কাজ করবেন আরাফি, রিপোর্টে এমনটাই বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মতুয়া অধ্যুষিত বিধানসভাগুলিতে বিপুল সংখ্যায় নাম বাদ! সিএএ আশ্বাস দিলেন শুভেন্দু
advertisement
আলিরেজা আরাফি কে?
আলিরেজা আরাফি ইরানের প্রবীণ ধর্মীয় নেতা এবং ইরানের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি।
আরাফিকে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের ঘনিষ্ঠ বলেও মনে করা হয়। ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের আগে তিনি ধর্ম প্রচারক এবং লেখক ছিলেন। পরে বিভিন্ন পদে কাজ করেছেন আরাফি। খামেনেইয়ের মৃত্যুর আগেও তাঁকে অন্যতম উত্তরসূরি হিসাবে মনে করা হত।
এছাড়াও আগে তিনি আল মুস্তাফা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়েরও প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ইরানে খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরে ভারত-ইরান সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেবে তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। পাকিস্তান ইস্যু-সহ একাধিক ইস্যুতে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল ইরান, কিন্তু খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরে অবস্থার কতটা পরিবর্তন হয় সেটাই দেখার।
আরও পড়ুন: ‘SIR করুন আর FIR করুন আপনাদের আসন ৫০ এর নীচে থাকবে’, বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
প্রথমে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দাবি করছিলেন আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের। প্রথমে অস্বীকার করলেও রবিবার সকালে সেই খবর নিশ্চিত করেছে তেহরানও। ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশ জুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
ইজরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনেইয়ের আস্তানায় অন্তত ৩০টি বোমা ফেলা হয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্রেও খামেনেইয়ের কার্যালয়ের বাসভবনে ভয়াবহ ধ্বংসলীলার ছবি ধরা পড়েছে।
