নতুন এই বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েল হামলা শুরু করার পরের সপ্তাহে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা যে প্রতিশোধমূলক হামলা চালায়, তাতেই সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সিএসআইএসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মার্ক ক্যানিয়ান বলেন, এই অঞ্চলে আমেরিকার ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি কম করে তুলে ধরা হয়েছে। যদিও ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি বলে মনে হচ্ছে। আরও তথ্য পাওয়া না পর্যন্ত পুরো পরিমাণটা জানা যাবে না।
advertisement
মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে জানতে আমেরিকার পররাষ্ট্র দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল বিবিসি। তবে পররাষ্ট্র দফতর বিষয়টি নিয়ে মন্তব্যের জন্য মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর দায়িত্বে থাকা সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে। পরে এ বিষয়ে সেন্টকমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে একযোগে হামলা শুরু করে আমেরিকা ও ইজরায়েল। এর পর থেকে জর্ডন, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমরিতে আমেরিকার বিভিন্ন ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। তেহরানের হামলার নিশানা ছিল মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, কৃত্রিম উপগ্রহ (স্যাটেলাইট) যোগাযোগব্যবস্থা। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে জর্ডনে একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে। সেখানে আমেরিকার থাড ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থার একটি অংশ পুরো অচল হয়ে গেছে। আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতরের নথির উল্লেখ করে সিএসআইএস একটি বিশ্লেষণ করেছে। তাতে দেখা গেছে, আমেরিকার এএন/টিপিওয়াই–২ রাডার ব্যবস্থার অন্তত ৪৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।
