মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আংশিক কোনও সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা খুবই কম। তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়া আটকানোর শেষ সুযোগ এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা। কারণ, সংঘাত বাড়লে ইরানের বেসামরিক পরিকাঠামোর উপর হামলা হতে পারে। পাল্টা উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি ও জল সরবরাহ ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে আক্রমণ হানতে পারে প্রতিপক্ষ।
advertisement
ট্রাম্প রবিবার অ্যাক্সিওস-কে বলেন, মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়সীমার আগে ওয়াশিংটন তেহরানের সঙ্গে জোরদার কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, “একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা আছে, কিন্তু ওরা যদি চুক্তি না করে, তাহলে আমি ওখানে সবকিছু ধ্বংস করে দেব।”
জানা যাচ্ছে, দুই ধাপে যুদ্ধে লাগাম পরাতে চাইছে দুই পক্ষ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান, মিশর এবং তুরস্কের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা চলছে। পাশাপাশি মেসেজে যোগাযোগ রাখছেন ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আড়াগাছি। প্রথম ধাপে ৪৫ দিনের জন্য সংঘাত স্থগিত রাখা যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ৪৫ দিনের সংঘর্ষবিরতি সফল হলে দ্বিতীয় ধাপে যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়ে আলোচনা শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।একটি সূত্র অ্যাক্সিওস-কে জানিয়েছে, বৃহত্তর কোনও চুক্তি চূড়ান্ত করতে আরও সময় প্রয়োজন হলে এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে। দ্বিতীয় পর্যায়ে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি নিশ্চিত করার উপর জোর দেওয়া হবে, যা আনুষ্ঠানিকভাবে সংঘাতের অবসান ঘটাবে।
