USA vs France: আমেরিকার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হুঙ্কার ছাড়ছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট, এদিকে হাতে নাকি মাত্র ৩ দিনের বারুদ! পরমাণু শক্তিধর দেশ এবার দিল আড়াই চাল
- Published by:Debalina Datta
- news18 bangla
Last Updated:
Donald Trump vs Emmanuel Macron: নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ম্যাক্রোঁ ‘মিশন ২০৩০’ চালু করেছেন, যার অধীনে ফ্রান্স তার নির্ভুলভাবে লক্ষ্যভেদী বোমার মজুদ আড়াই শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। ফ্রান্স তার মোট অস্ত্রের মজুদ ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধি করবে।
advertisement
1/11

কলকাতা: সারা বিশ্ব জুড়ে এখন নারদ-নারদ! সমস্ত দেশই একে অপরের ওপর খড়্গহস্ত হয়েই রয়েছে৷ সময়-সুযোগ হলেই যেন আক্রমণ শানাবে৷ এরমধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বাক্যবাণ শানিয়েছন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ৷ ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী ও পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ ফ্রান্স৷ ট্রাম্প ও ম্যাক্রোঁর মধ্যকার এই বিরোধ এখন আর কেবল কূটনৈতিক পর্যায়ের গন্ডি ছাড়িয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও কড়া কুৎসার রূপ নিয়েছে।
advertisement
2/11
ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ট্রাম্পের হুমকি হোক কিংবা ম্যাক্রোঁর স্ত্রীকে নিয়ে তাঁর কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, প্যারিস ও ওয়াশিংটন একে অপরের বিরুদ্ধে নক্কারজনক জায়গায় পৌঁছেছে। কিন্তু এই ‘সরাসরি সংঘাতের’ মাঝে এক চাঞ্চল্যকর সত্য উন্মোচিত হয়েছে।
advertisement
3/11
এদিকে ঘরে বসে বাক্যবাণ শানানো পরিস্থিতিতে একটি তীব্র যুদ্ধ লড়ার জন্য ফ্রান্সের কাছে মাত্র তিন দিনের গোলাবারুদ অবশিষ্ট আছে। এই ঘাটতি আঁচ করে ম্যাক্রোঁ এখন এমন এক ‘আড়াই দফা পদক্ষেপ’ নিয়েছেন যা শুধু ফ্রান্সেরই নয়, বরং সমগ্র ইউরোপের নিরাপত্তা কৌশলকে আমূল বদলে দেবে।
advertisement
4/11
ম্যাক্রোঁর মিশন ২০৩০রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্বকে দেখিয়েছে যে আধুনিক যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা কত দ্রুত ফুরিয়ে যায়। এর প্রতিক্রিয়ায়, ফ্রান্স তার নতুন সামরিক কর্মসূচি আইনের অধীনে প্রতিরক্ষা বাজেট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে।
advertisement
5/11
প্রতিরক্ষা বাজেটে বিশাল লাফ: ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা বাজেট ২০২৭ সালের ৬৩.৩ বিলিয়ন ইউরো থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে ৭৬.৩ বিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৭ লক্ষ কোটি টাকা) হবে।(AASM HAMMER): সুনির্দিষ্ট আঘাত হানার সক্ষমতা (এএএসএম হ্যামার): ফ্রান্স তার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভেদী বোমার মজুদ ২৪০% বৃদ্ধি করবে।
advertisement
6/11
(Aster & MICA): ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা (অ্যাস্টার ও মিকা): ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ৩০% বৃদ্ধি করা হবে।(Loitering Munitions): ঘাতক ড্রোন: সবচেয়ে আশ্চর্যজনক সিদ্ধান্তটি আত্মঘাতী ড্রোন সংক্রান্ত, যার সংখ্যা ৪০০% বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
advertisement
7/11
নতুন ট্যাঙ্ক প্রকল্প: ফ্রান্স তার পুরনো লেক্লার্ক ((Leclerc)) ট্যাঙ্কের পরবর্তী জেনারেশন তৈরির কাজ শুরু করেছে, এমন এক সময়ে যখন জার্মানির সঙ্গে একটি যৌথ ট্যাঙ্ক প্রকল্পে বিলম্ব হচ্ছে।
advertisement
8/11
ট্রাম্প ও ম্যাক্রোঁর মধ্যকার বিরোধের মূল উৎস কী?এই মূল বিরোধটি ন্যাটোর অস্তিত্ব এবং ইউরোপীয় নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে। ট্রাম্প ইউরোপের ওপর প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছেন, অন্যদিকে ম্যাক্রোঁ ইউরোপীয় সার্বভৌমত্বের পক্ষে। উপরন্তু, দুই নেতার মধ্যকার ব্যক্তিগত মন্তব্য আগুনে ঘি ঢেলেছে।
advertisement
9/11
ফ্রান্সের কাছে মাত্র তিন দিনের গোলাবারুদ থাকার অর্থ কী?এর মানে হল, ফ্রান্স যদি রাশিয়ার মতো কোনো শক্তিশালী দেশের সঙ্গে এক ভয়াবহ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তবে তার বর্তমান মজুদ মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই ফুরিয়ে যাবে। এই দুর্বলতা মোকাবিলার জন্য একটি নতুন আইন আনা হয়েছে।
advertisement
10/11
ফ্রান্সের এই নতুন সামরিক পরিকল্পনা ইউক্রেনের জন্য কীভাবে লাভজনক হবে?ফ্রান্স যে AASM হ্যামার বোমা এবং অ্যাস্টার ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াচ্ছে, সেগুলি ইউক্রেনের সেনাবাহিনী ইতোমধ্যেই রুশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে। এই বর্ধিত উৎপাদন ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহকে আরও ত্বরান্বিত করবে।
advertisement
11/11
ফ্রান্স কি রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিজস্ব সেনাবাহিনী প্রস্তুত করছে?সরাসরি না হলেও, ম্যাক্রোঁর লক্ষ্য হলো ‘কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন’ অর্জন করা, যাতে ভবিষ্যতে ট্রাম্প যদি যুক্তরাষ্ট্রকে ন্যাটো থেকে প্রত্যাহার করে নেন, তবে ফ্রান্স ও ইউরোপ নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম হয়।