এর পরেই পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিরা জানান, হ্যাঁ, সত্যিই ইমরান খানের শরীরে গুলির আঘাত লেগেছে৷ তাঁকে ওয়াজিরাবাদের সভাস্থল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে৷ সেখানে তাঁরা চিকিৎসা চলছে৷ তিনি ছাড়াও আরও কয়েকজন পিটিআই কর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে৷ তাঁদের সকলেরই চিকিৎসা চলছে৷ ইমরান খানকে প্রাণে মারার জন্যই এই হামলা চালানো হয়েছিল৷ সূত্র মারফত এই খবর পাওয়া গিয়েছে৷
advertisement
আরও পড়ুন: দরজা খুলল বিবস্ত্র তরুণী, খাটে পড়ে যুবকের দেহ! সল্টলেকের গেস্ট হাউজে হাড়হিম ঘটনা
তার পর একাধিক সূত্রে উঠে আসে একাধিক ছবি৷ সেখানে দেখা যায়, রক্তাক্ত অবস্থায় বসে আছেন ইমরান খান৷ এবং তাঁর চারপাশে দিগভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন একাধিক সমর্থকরা৷ পাকিস্তানের সাংবাদিক মহল থেকে খবর, তাঁর পায়ের একটি অংশ গুলি লেখেছে৷ তবে তাঁর প্রাণনাশের আশঙ্কা নেই৷ তিনি আপাতত হাসপাতালে ভর্তি আছেন৷
তবে ক’জন মিলে এই হামলা চালিয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়৷ কেউ কেউ বলছেন, এক জন হঠাৎ করে ইমরান খানের যে গাড়ি, সেই গাড়ির দিকে একটি সয়ংক্রিয় বন্দুক নিয়ে এগিয়ে আসে৷
এসে গুলি চালাতে শুরু করে৷ কিন্তু সেই বন্দুক উপস্থিত সমর্থকরা ছিনিয়ে নেওয়ায় ঘটনা বেশি দূর এগোয়নি৷ যদিও তাতে গোলমাল শুরু হয়৷
ইমরান খানের সঙ্গী সলমনের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ‘‘ইমরান খানকে প্রাণে মারার চেষ্টা করা হয়েছিল৷ তিনি চারটি গুলিতে আহত হয়েছেন৷ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷
তবে কোথায় গুলি লেগেছে, সেটা এখনও বোঝার উপায় নেই৷’’ তবে ইমরান খানের শরীরে ক’টি গুলি লেগেছে, তা এখনও স্পষ্ট করে বলার উপায় নেই৷ কারণ, এক পক্ষ বলছে পায়ে একটি গুলি লেগেছে, কিন্তু অন্য পক্ষ থেকে খবর আসছে, শরীরে চারটি গুলি লেগেছে৷
