২০১৬ সালে এই এটিএম শুরু করে ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক অব পাকিস্তান৷ সৌর ও বায়ুশক্তিতে পরিচালিত এই এটিএম সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের কাছে সাহায্যের আলো৷ পাশাপাশি সারা বিশ্বের অভিযাত্রীরা এই এটিএমে আসেন৷ টাকা তোলা বা অন্যান্য লেনদেনের পাশাপাশি নিজস্বী তোলাও তাদের আগমনের অঙ্গ৷ নীতিগত দিক থেকে এই এটিএম-এর অবস্থান চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর বা সেপেক-এ (CEPEC)৷ শীতকালে এটিএম-এর বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়৷ নিকটবর্তী সস্ত শহরে ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক অব পাকিস্তানের শাখা থেকে এই এটিএম পরিচালনা করা হয়৷ দেখা হয়, যাতে অর্থের যোগান নিরবচ্ছিন্ন থাকে৷
advertisement
আরও পড়ুন : মাতৃস্নেহকে কুর্নিশ! মেয়েকে মাতৃত্বের স্বাদ দিতে জরায়ু দান করবেন প্রৌঢ়া মা
বিল পেমেন্ট এবং লেনদেন সংক্রান্ত অন্যান্য পরিষেবা তো আছেই৷ এছাড়াও পাওয়া যায় টাকা তোলা, বিলের ডিজিটাল পেমেন্ট এবং ফান্ড ট্রান্সফারের সুবিধে৷ শীতকালে, বিশেষ করে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নীচে নেমে গেলে এই এটিএম-এর বিশেষ দেখভালের দরকার হয়৷ এই এটিএম-এর মনিটরিং অফিসার শাহ বিবি৷ জানিয়েছেন, ১৫ দিনে এখান থেকে প্রায় ৪-৫ মিলিয়ন অঙ্কের অর্থ তোলা হয়৷ এটিএম সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সস্ত শাখায় পৌঁছে দেন তিনি৷ কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি হলে এখানে পৌঁছতে কারওর ২ থেকে আড়াই ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লেগে যায়৷ তার পর সারানো হয় যান্ত্রিক ত্রুটি৷
স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিযাত্রীদের কাছে ভরসার জায়গা এই অটোমেটেড টেলার মেশিন ৬ বছর আগেই জায়গা পেয়েছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে৷
